দেশ হতে দেশান্তরে

আপার ইজিপ্ট লোয়ার ইজিপ্ট

সেলিম সোলায়মান | রবিবার , ১ মার্চ, ২০২৬ at ১১:০১ পূর্বাহ্ণ

আড্ডায় প্রচুর ভিটামিন থাকে, এ ব্যাপারে গুণী আড্ডারুরা সব একাট্টা, একাত্মা। সে জায়গায় বেগুন আমার তো শুধুই ভিটামিন না, শর্করা, আমিষ, স্নেহ খনিজসহ যাবতীয় পুষ্টির উৎসই তো হল আড্ডা? সুযোগ পেলেই পাত পেতে বসে যাই তাই। বয়স, পেশা, জাত পাত, পদমর্যাদা এসবের ধার না ধেরে খ্যাংরাকাঠি আমি প্রয়োজনে সুযোগ তৈরি করে লেগে পড়ি ঐ পুষ্টি সংগ্রহে, সাগ্রহে। নইলে তো ভুগতাম আজীবন ম্যারাসমাসে। আর যখনই বসি আড্ডায়, হাতে হাতে পেয়ে যাই গুণিজনমুখনিঃসৃত ঐ বাণীর উদাহরণসহ প্রমান। হল যেমন আজও। পেলাম তাও কী না তা একদম আড্ডার মুখবন্ধেই। অতএব বাকী পর্বেও যে থাকবে আরো পুষ্টি, এটি জানার জন্য জ্যোতিষী কাছে যাওয়ার দরকার কী?

আল গা’র সরাসরি না হলেও, অধস্তনই বটে আমার। আরব না শুধু গোটা এশিয়ান সংস্কৃতিতেই, উর্ধতন অধস্তন ব্যাপারটি, বর্ণাশ্রম প্রথার প্রাচীন ভারতের, চক্রবর্তীর সাথে শূদ্রের সম্পকের্র মতই। সে মতে আমার ঘরে, চা খেতে খেতে যে বাৎচিত হল দু জনের, সেটিকে আড্ডা বলতে কেউ নারাজ হলেও, কিছুই যায় আসে না আমার! ঘটনা হচ্ছে মজাদার মসলাদার বাংলা খাবারে তৃপ্ত আমার রসনায়, বাধ্য হয়ে যখনই তুলে নেই, বিস্বাদ ইউরোপিয়ান স্টেক; ভাবি প্রায়শই, আহা দেশ থেকে কিছু গুড়া নুন মরিচ পকেটে পুরে আনলাম না কেন? ঐ মহার্ঘ বস্তু এ স্টেকে ছিটিয়ে দিতে পারলে তো কথাই ছিল না। আবার অনেক সময় ভেবেছি, পাওয়া যাবে নাকি এদের কাছে, দুই একটা কাঁচা মরিচ ও কিঞ্চিৎ পেঁয়াজ কুঁচি!

বিদেশ বিভুইয়ে ক্ষুধা নিবৃত্তির সময় নাকমুখ খিঁচে ঐ সব অখাদ্য মুখে দিতে দিতে, ঐ ভাবনাগুলো ভাবলেও সে সব তো হয়নি করা পূরণ এখনো। তবে হাড়ে মজ্জায় আড্ডার জীবাণু আমার বাসা বেঁধেছে এমনই যে, ইউরোপিয়ান আমিরকান ধাঁচের পেশাগত খটখটে বাত চতে এমন কি মিটিঙেও সুযোগ পেলেই, দেই ছিটিয়ে আড্ডার নুন মরিচ! কিম্বা দেই যোগ করে কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ কুঁচি! তাতে কাজের কাজ যেমন হয় আরো ভালো, সাথে হয় আড্ডাটাও।

অতএব, আজ ছুটির দিনের শেষ বিকেলে, আমারই বাসায় আসা আল গা’রের সাথে চা খেতে খেতে কেন করতে যাই খড়খড়ে বা খটখটে পেশাগত আলাপ? সামান্য নুন মরিচ, কাঁচা মরিচ, বা পেঁয়াজ কুঁচিই বা যোগ করি কেন শুধু। তদুপরি আফগান, মিশর, জার্মান, ফ্রান্স সহ দেশে বিদেশে নানান আড্ডা চষে বেড়ানো আমাদের ডাঙর সৈয়দ সাহেবের বরাতে তো জানি, মিশরিরাও আড্ডার প্রবল সমজদার। এমতাবস্থায় ঠেকায় আমায় আর কোন শর্মা?

ফলে শুরুই করেছি কথা, এক্কেবারে আড্ডার ঢঙ্গয়ে। গা’রের কথার প্রতিধ্বনি তুলে বলেছিলাম, মূলত মানুষ একা! তুমুল ভিড়ের মধ্যেও মানুষ একা। এটিকে তো দার্শনিক ভাবনা, কবি ভাবনা বলেই জানি। তা কবিতা টবিতা লেখ টেখ নাকি তুমি? এই মরুতে, ঘরেবাইরে, অফিসে চারদিকে এতো এতো দেশী ভাই বোন থাকতে, তুমি নিজেকে একাকী কোনঠাসা মনে করছ কেন? বললে যা একটু আগে?

এতে গা’রের উত্তর ছিল, “শোন এমনিতে মিশরি মিশরি যতোই ভাই ভাই ভাব ধরুক না কেন, ভেতরে ভেতরে তারা কিন্তু তা না। হাজার হাজার বছর ধরে মিশরি মানস আসলে আপার ইজিপ্ট, লোয়ার ইজিপ্টে, মানে নীল নদীর উজান আর ভাটিতে বিভক্ত। এই দুই অঞ্চলের মিশরিদের আচার আচরণ ভাবনা বেশ আলাদা হওয়াতে বাইরে বাইরে যতোই ভড়ং ধরুক ভেতরে ভেতরে তারা কিন্তু একে অন্যের সৎ ভাই বোনও কী না সন্দেহ আছে আমার।”

ওহ তাই নাকি? শোন স্কুলে ভূগোল পড়তে গিয়ে বেশ ঘোল খেইয়েছিলাম আমি। একটু বলতো, তোমাদের এই আপার আর লোয়ার ইজিপ্টের শহরগুলোর নাম কী কী?

লুক্সর, আসওয়ান, সোহাগ, কেনা এসব হলো নীলনদের উজানের, মানে আপার ইজিপ্টের শহর। কায়রো, আলেকজান্দ্রিয়া, পোর্ট সৈয়দ , সুয়েজ, তানতা এগুলো ভাটি অঞ্চলের জনপদ।”

হুম, কায়রো, আলেকজান্দ্রিয়া, সুয়েজ, পোর্ট সৈয়দের নাম জানতাম। বাকিগুলোর নাম, মাত্রই শুনলাম। মিশরে ঘুরতে যাওয়ার খুব ইচ্ছা আছে মনে বহুদিন। বুঝতে পারছি এখন মোল্লার দৌড় মসজিদের মতো আমারও মিশরজ্ঞান কায়রোর পিরামিড দেখে, আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরির ঘুরে সুজেয়ে সাঁতরাচ্ছিল এতকাল।

আই উইল বে ভেরী হ্যাপি ডঃ সেলিম টু টেক ইউ টু ইজিপ্ট। যদি প্রাচীন মিশরে আগ্রহ থাকে তোমার, তবে লুক্সর যেতেই হবে। বেশীরভাগ লোকই কায়রো আশেপাশের পিরামিড আর নীল নদের রিভার ক্রুজে বেলিড্যান্স দেখেই মিশর দেখা হয়ে গেছে মনে করে ফিরে যায় মহানন্দে।”

এখন আর সেই ভুল হবে না অবশ্যই আমার। আর শোন, শুধু মিশরিরা কেন, আধুনিক কালে এই গ্রহে যত মানচিত্র তৈরি হয়েছে, ঐসব মানচিত্রের সবগুলোতেই মানুষেরা যতই মুখে মুখে নিজেদের ভাই ভাই বলুক না কেন, সবখানেই তারা নানান আঞ্চলিকতায় বিভক্ত। “সবার উপরে মানুষ সত্য; বলেছেন আমাদের মধ্যযুগের কবি চণ্ডিদাস। তা কবিরা ঐরকম ভাবতেই পারেন। কিন্তু সাধারন মানুষের কাছে নিজ স্বার্থই বড়। ফলে নিজের বংশ বা গোত্রের বাইরের বাকীদের শ্‌ত্রুই জ্ঞান করে তারা। মানুষ মূলত গোত্রবাদি। কুটিল বুদ্ধিমানেরা ঐটা বোঝে খুব ভাল।

মোটেও ভাল লাগে না এসব আমার। আমাদের অফিসে যে মিশরিরা আছে তাদের প্রায় সবাই ঐ আঞ্চলিকতা নিয়েই আছে। আমি নিজে হলাম কায়রোর মানে লোয়ার ইজিপ্টের। আর আমাদের কোম্পানিতে লোয়ার ইজিপ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও, এখানেও তারা ভাগ হয়ে আছে আলেকজান্দ্রিয়া বনাম কায়রোতে। ঐসবে নাই আমি। হয়ে গেছি তাই একাকী।”

তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে, গত শতকের পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে তোমাদের সেনাপতি জামাল আবদুল নাসের, আরব জাতীয়তাবাদের যে জাগরণ তুলতে চেয়েছিলেন, নানান উপজাতিতে উপজাতিতে বিভক্ত সমগ্র আরব মানচিত্রে, সেটা তো তার নিজদেশেই খেয়েছে মার, ঐ আপার লোয়ার ইজিপ্ট বিভক্তির কারণে।

তার চেয়েও ভয়ানক সমস্যা আছে মিশরে। নাম হল তার ইসলামিক ব্রাদারহুড। মৌলবাদী জঙ্গিদের এই সংগঠন ইসলামিক ব্রাদারহুড নাম নিলেও, এরা আসলে কিলারহুড। এরা নিজেরা যেভাবে কোরান হাদিসকে ব্যাখ্যা করে তা যারা না মানে, তাদের তারা সোজা কতল করতে পিছ পা হয় না। মিশরের অনেক বড় বড় ব্যবসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল আছে এদের। সৌদি আরবেও এদের নেটওয়ার্ক খুব শক্তিশালী। দরিদ্র মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের যাদের এরা পয়সাকড়ি দিয়ে পড়াশোনা করিয়েছে, তাদেরকে আবার তারাই পয়সা খরচ করে সৌদি আরবে পাঠিয়েছে ওরা। আমাদের সেলস টিমেও আছে অনেকেই। পার্টির টাকায় পড়াশোনা করেছে বলে এখন তারা নিয়মিত চাঁদা পাঠায় পার্টির ফান্ডে। ভয়ংকর এই গ্রুপটা দুই চোক্ষে দেখতে পারে না আমাকে। কোনঠাসা অবস্থা বেশী আমার, এদেরই জন্য।” আড্ডার এই মুখবন্ধের পর পরই, আমাদের চায়ের কাপ শূন্য হয়ে যাওয়ায়, গা’রের নিমন্ত্রণ রক্ষার্থে বাইরে বেরুবার জন্য দ্রুত তৈরি হয়ে, তাঁরই গাড়িতে করে রওয়ানা করেছিলাম একটু আগে সেই অথেন্টিক মিশরি ক্যাফের উদ্দেশ্যে। ড্রাইভিং সিটের পাশে বসে একটু আগে শোনা গা’রের কথার জাবর কাটতে কাটতে, ভাবছিলাম, আরে এ তো আমার অতি চেনা ঘটনা। সাথে এও মনে হল যে, অফিসের তীব্র মিশরি বিরোধী, ভারতীয় সৈয়দ রাজভি, প্যালস্টাইনি ইসাম বা সৌদি ফাহাদ , যতোই তাদের কথিত মিশরি মাফিয়াকে একাট্টা একাত্মা মনে করুক না কেন, ঘটনা আসলে তা নয়। মিশরিরা নিজেরাই নানান ভাগে বিভক্ত। জানে কি তারা এটা? নাকি তীব্র মিশরবিরোধী হওয়ার কারনে তারা যেহেতু পারতপক্ষে এদের এড়িয়েই চলে, জানে না তাই তারা মিশরিদের অন্দরমহলের এই বিভক্তির খবর। এটাই যদি সত্য হয় তবে তো, এ অত্যন্ত ভাল খবর আমার জন্য। গা’রের সাথে আজকের এই আড্ডা না হলে এ খবর তো পেতাম না আমিও!

নাহ, বহু বছর আমার পূর্বপুরুষেরা ব্রিটিশের গোলাম থাকার কারনে, নানান ব্রিটিশ কেতা আমাদের সংস্কৃতির বিশেষত শিক্ষায় ঢুকে পড়লেও, তাদের ডিভাইড এন্ড রুল ফর্মুলা, পছন্দ নয় মোটেও আমার। অতএব গা’রের কাছ থেকে যা জানলাম, তা ব্যবহার করে কোন স্বার্থ হাসিল করতে যেমন রাজী নই আমি, তেমনি বেহুদা টিমের মধ্যে কেওয়াস লাগানোর ইচ্ছাও নাই আমার। গুরুত্বপূর্ণ হল, অফিসের বাতাসে মিশরি মাফিয়ার যে জুজু ঘুরে বেড়ায় , ওটা যে আসলেই জুজু, তা তো জানলাম। এটাই তো বড় লাভ। তবে একটা ব্যাপার আরেকটু পরিষ্কার করে জানলে ভাল হয়। গা’র বর্ণিত ঐ জঙ্গি নেটওইয়ার্কে, আছে অফিসের কারা কারা, তা। অন্য কিছু না হোক, ওদের চিনলে, জানলে তাদের সামনে কথাবার্তা বলতে তো একটু হুশিয়ার হওয়া যাবে। আচ্ছা জিজ্ঞেস করবো নাকি গা’রকে?

ডঃ সেলিম, এই যে মামলাকা টাওয়ার, এটির মালিক যে, আল ওয়ালিদ বিন তালাল আল সাউদ, তাকে নিয়ে রিজ খান নামের এক সাংবাদিক একটা বই লিখেছে। ওটা পড়তে শুরু করেছিলাম কিছুদিন আগে।”

রিয়াদ শহরের কিং ফাহাদ রোডের আল ওলায়া ডিসট্রিক্টে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা আধুনিক স্থাপত্যের চমৎকার নিদর্শন, মামলাকা টাওয়ারের সামনের রাস্তা দিয়ে গাড়ী চালাতে চালাতে, বলল আল গা’র

তাই নাকি? কী নাম বইটার? কেমন লাগছে পড়তে?

আলওয়ালিদঃ বিজনেসম্যান, বিলিওনার, প্রিন্স’ নাম। নাহ, ফালতু বই। বুঝো না, পয়সা আছে তো, তাই রিজ খানকে ভাড়া করে লিখিয়েছে। আরে নামটাই তো ঠিক হয় নাই। সে কি ব্যবসা করে বিলিওনার হয়েছে নাকি? নাকি কষ্ট করে বিজনেস দাঁড় করাতে হয়েছে তাকে? রাজপরিবারে জন্ম নিয়ে, সে তো জন্মেই বিলিওনার। নানান ব্যবসা তো এমনিতেই তাদের পায়ের কাছে গড়াগড়ি খায়। এই বইয়ের নাম হওয়া উচিৎ ছিল, শুধু “প্রিন্স আলওয়ালিদ”।

হা হা হা হা, খুব ভাল বলেছ । তাও, দিও তো একটু কয়েকদিনের জন্য।

অবশ্যই দিব। আমি নিশ্চিত তোমার ঐটা ভাল লাগবে না। যত সব ফালতু গালগল্প। আচ্ছা ডঃ সেলিম তুমি কি আমাকে তোমার ঘরে যে দেখলাম “এক্সিকিউশন” বইটা, ওটা দেবে পড়তে?”

এক্সিকিউশন, মানে শূলে চড়ানো বা মৃত্যদন্ড বিষয়ক বই না ওটা। ল্যারি বসিডি ও রামচরণের বেস্ট সেলার “এক্সিকিউশনঃ দি ডিসিপ্লিন অব গেটিং থিংস ডান” এই বইটি আমাদের গ্লোবাল সিইও র খুব পছন্দের বলে, যাবতীয় বসদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে কিনেছিলাম এ অধমও এক কপি। কর্পোরেট ব্যবসা পরিচালনা সঙ্‌ক্রান্ত বই ওটা। কেনার পর খামচে খামচে বইটির নানান অংশের কিছু কিছু পড়ার পর মনে হয়েছে, সুন্দর বনের যে হরিণ জীবনে বেশ কয়েকবার বাঘের থাবা থেকে বেঁচেছে, সে তো আর বেন জনসন বা কার্ল লুইসের কোচের কাছে দৌড়ের কোচিং করে নি। তুমুল প্রতিযোগিতামূলক কর্পোরেট জগতও চলে বনের নিয়মে। ডারউইনের সারভাইবাল অব দি ফিটেস্টই এখানকার মন্ত্র। গুরুত্বপূর্ণ কর্মসম্পাদন না হলে দাম দিতে হয় মুহূর্তেই চাকরীদণ্ডে। এমতাবস্থায় চাকরী বাঁচানোর প্রয়োজনে, কবেই যে নিজে নিজে শিখে গেছি হাতেকলমে ঐ এক্সিকিউশন, জানি না তা নিজেও।

তবে বইটি পড়ে একদম কাজে লাগেনি, তা কিন্তু নয়। ঐটি পড়তে পড়তে মনে হয়েছে, অবস্থা তো হয়েছে আমার এমন যে, যখনই সচেতনভাবে কোন আইডিয়া বা স্ট্রাটেজি নিয়ে চিন্তা করি, অবচেতন একই সাথেই ঐ কর্মসম্পাদনের কর্মপদ্ধতির চিন্তাও করে সমান তালে। তাই তো দু চার বার কানের কাছ দিয়ে তলোয়ার চলে গেলেও, বেঁচেবর্তে আছি এখনো। ভাবতে ভাবতে বললাম গা’রকে, বাসায় থাকতে বললে না কেন? আজই নিয়ে নিতে।

আমার কথার উত্তর দেবার বদলে, আল গা’র এমসয় গভীর মনোযোগে রিয়াদ শহরের আরেক গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক স্থাপত্য ফয়সালিয়া টাওয়ারের জমজমাট এলাকার রাস্তার জ্যাম সাবধানে পেরিয়ে ইউটার্ন নিয়ে, সাজসজ্জায় ও আলোয় ঝলমলে আধুনিক একটা ক্যাফের পার্কিংলটে গাড়ী থামাতেই মনে হল, নাহ সৈয়দ মুজতবা আলী সাহেব বর্ণিত অথেন্টিক ইজিপশিয়ান ক্যাফের অভিজ্ঞতা নিতে হলে , কায়রোতেই যেতে হবে তবে।

লেখক : প্রাবন্ধিক, ভ্রমণ সাহিত্যিক

পূর্ববর্তী নিবন্ধআমাদের যা আছে তাতেই সুখী
পরবর্তী নিবন্ধফিরে আসুক বিনয় ও সম্মান