দেশ হতে দেশান্তরে

রাতের রাণী মানামা

সেলিম সোলায়মান | রবিবার , ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ

সালামালাইকুম সেলিম, ইয়া হাবিবি। হাও আর ইউ? এভরিথিং ফাইন? হোয়েন কেম ব্যাক টু রিয়াদ? হাউ ওয়াজ বাহরাইন নাইট? ইউ হেড লেবানিজ অর ইজিপসিয়ান অর টার্কিশ অর ফিলিপিনো অর উজবেক? ইফ ইউ টোলড মি বিফোর, আই কুড কানেক্ট ইউ উইথ মাই পিপল? ভেরি গুড গার্লস দে হ্যাভ।”

সাদা তোব পড়া হাস্যোজ্বল, এই মরুতে এরই মধ্যে আমার বন্ধু হয়ে উঠা একমাত্র সৌদি, আমাদের হেড অব সেলস, খলিলকে আমার রুমে ঢুকতে দেখেই চেয়ার ছেড়ে উঠে গিয়েছিলাম দরজায়, তাকে স্বাগত জানাতে। হাত মেলাতে মেলাতে উপরের বাক্যসমূহের প্রথম তিনটি বেশ উচ্চস্বরে উচ্চারণ করলেও, বাকীগুলো বলছে খলিল গলা নামিয়ে। আরবি কায়দায় আলিঙ্গন করতে করতে, অনেকটা ফিসফিসিয়ে। সালামের উত্তর দিয়ে জানালাম, ফিরেছি গতরাত সাড়ে দশটার দিকে। তারপর দুজনে রুমের গভীরের দিকে এগিয়ে আমার টেবিলের সামনের চেয়ারে তাকে বসতে বলে ঘুরে ওপাশের নিজের চেয়ারে দিকে এগুতে এগুতে জিজ্ঞেস করলাম, খাবে কি? মিন্ট টি না ব্ল্যাক কফি?

একটা কিছু হলেই হবে। তোমার বাহরাইন কাহিনী শুনি তো আগে। আরে আগে জানলে তো, আমিও যেতে পারতাম ট্যুরে, দাম্মামে। তারপর সারাদিন কাজ করে তুমি আমি চলে যেতাম মানামায়।”

টেলিফোনে দুজনের জন্য মিন্ট টি দিতে বলে, আজদাহা মার্কা আমার টেবিলের এপাশ থেকে খলিলের মুখের দিকে মুখ এগিয়ে বললাম, আমি তো বাহরাইনে যাই নি। উঁকিই দিয়েছি শুধু। আর গিয়েছিলাম তো সকালে ফিরেছি ও সাথে সাথেই। অতএব আমার রাত, দাম্মাম রাত।

আরে বল কী? বল কী? এরকম সুযোগ হাতছাড়া করে নাকি কেউ?”

আমার সাথে কিন্তু হাইতাম ছিল। ওর গাড়িতেইতো গিয়েছিলাম। এছাড়া আমি তো ছুটি কাটাতে যাইনি।

নাহ এমনিতে তুমি বেশ বুদ্ধিমান হলেও, এসব ব্যাপারে তো দেখি একটা আস্ত বেকুব, গাড়ল তুমি! আরে হাইতামের সাথেই যেতেই হবে! দিনের বেলাতেই যেতে হবে! এরকম কোন আইন আছে নাকি? বুঝলাম কাজে গিয়েছ, তাই কাজেই ছিলে। তা নিয়ে সমস্যা নাই। রাতে ডিনার শেষে হাইতামকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে, তুমি একটা ট্যাক্সি নিয়েই তো যেতে পারতে রাতের রানী মানামায়।”

খলিলের এ কথায়, মনের ভেতরের সৌদি ইমিগ্রেশনের লোকদের একমাস কয়দিনে হয়, তা ঠিক করতে গিয়ে চান্দ্রমাসে দিন গোনার কথা বা এমনিতেই এই মিসকিনের প্রতি সৌদি ইমিগ্রেশনের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার ব্যাপারটি বেমালুম চেপে গিয়ে, করলাম স্বীকার অবলীলায়, আমি একটা আস্ত গাঁড়ল, আসলেই।

না না হাবিবি! মাই ব্রাদার, তুমি শুধু গাড়লই না, একটা আস্ত ভিতুর ডিমও তুমি। মনে নাই সেই যে সে রাতে, মানে ঐ যে আল খোবারের হাফ মুন বে রিসোর্টে আমি তোমাকে একটা বান্ধবীর ফোন নম্বর দিতে চেয়েছিলাম, তুমি যে ওটা নাওনি; তা কিন্তু মনে আছে।”

বউরে আমি আসলেই ডরাই ভীষণ। ভয় পাবোই বা না কেন বল? ঘাড়ে কি আমার দুইটা মাথা নাকি?

বউরে না ডরাইলে তো জীবন ফানা ফানা হইয়া যাইবো। ডরাই তো আমিও। কিন্তু রিয়াদের বাইরে গেলে তো চলে যাই বউয়ের হাতের নাগালের বাইরে। বুঝলে না হা হা হা। সে যাক তোমাকে একটা গুরুতর ব্যাপার জানাতে আসছিলাম; কিন্তু তোমাকে দেখেই মনে হল তুমি বাহরাইন ফেরত। শোন মাথাটা একদম বিগড়ে আছে। আমার রেসপেরেটরি ফ্রেঞ্চাইসের সেলসের যে কী হবে বুঝতে পারছি না!”

কেন? কী হয়েছে? এ পর্যন্ত ঐ ফ্র্যাঞ্চাইসের সেলস তো ভালই। কী সমস্যা হল আবার?

ভাল তো আছে, কিন্তু ভাল থাকার যো কি আর রাখছে তোমার প্রডাক্ট ম্যানেজার আফিফি! জানো কী, গত পরশু সে একটা এক্সপার্ট মিটিং করার জন্য মক্কায় গিয়েছিল রিয়াদ, দাম্মাম আর জেদ্দার টপ পাঁচজন রেসপেরিটরি প্রফেসরদের নিয়ে?” তা তো জানিই। সকালে অফিসে সে ঢুকতেই তাই জিজ্ঞেসও করেছিলাম ডেকে, কেমন হয়েছে মিটিংসহ সবকিছু? সে তো জোর গলায় বলেছে “আলহামদুলিল্লাহ ডঃ সেলিম এভ্রথিং ফাইন। ডক্টরস আর ভেরি হ্যাপি!”

একদম বিশ্বাস করো না! ওটা একটা বিরাট মিথ্যুক। ফাঁকিবাজ, ধড়িবাজও। দেখো তোমার লোকজনদের নিয়ে আমি কখনও কিছু বলিনি। বলছি আজ, এ কে মোটেও পছন্দ করি না আমি।”

হুম। তা হয়েছেটা কী? শুনি।“শোন, মিটিং শেষে রিয়াদের দুই প্রফেসরকে নিয়ে সে বিকালেই ফিরে এসেছে। দাম্মামের এক আর জেদ্দার দুই প্রফেসরকে মক্কায় রেখে। জেদ্দার ডাক্তাররা রাত্রে ফেরার কথা জানিয়েছিল আগেই। সে অনুযায়ীয় জেদ্দা টু মক্কা টু জেদ্দা গাড়ী দেবারও কথা আফিফির। কি যে করেছে সে জানি না। কার রেন্টাল অফিস, গাড়ী পাঠিয়ে ডাক্তারদের সকালে মক্কায় ঠিকঠাক মতো নিয়ে গেলেও, গাড়ী পাঠায়নি রাতে। এদিকে আফিফিও নাই। অনেকবার ফোন করার পর গভীর রাতে ঐ দুই প্রফেসর, আফিফিকে ফোনে ধরতে পারলে, ব্যবস্থা করেছে সে। কিন্তু ক্ষতি যা হবার তা তো হয়েই গেছে! আবার দাম্মামের প্রফেসরকে নিয়ে তো ঝামেলা হয়েছে আরো। উনি নাকি আগেই সন্ধ্যার টিকিট বদলে, রাত দশটার টিকিট দিতে বলেছিল। অথচ আমাদের ট্রাভেল ডেস্ক থেকে পাঠিয়েছিল তারপরের দিনের টিকিট, যা আফিফিও দেখেনি, প্রফেসরও খেয়াল করেননি। আবার প্রফেসর যদি পরেরদিনই আসবেন, তবে রাতে থাকার জন্য তাকে তো হোটেল দিতে হবে, তাই না? শোন সেলিম, ঐ প্রফেসর কিন্তু আরামকোর ডাক্তার। বড় ব্যবসা আসে আরামকো থেকে! যাবে সব এখন গোল্লায় !”

খলিলের মুখে আচমকা বিস্তারিত এ হেন অঘটনের কথা শুনতে শুনতে মেজাজ একদমই খারাপ হয়ে গেছে। কী মিথ্যাটাই না বলল আফিফি! তাও একদম আলহামদুলিল্লাহ সহযোগে! রাগ চেপে ভাবছি এ কোন খামখেয়ালীপনা! আরে অর্গানাইজার এবং দাওয়াতকর্তা হিসেবে, আফিফির তো উচিৎ ছিল সবার শেষে মক্কা ত্যাগ করা! কী যে বলি? আর কী যে করি এখন! এ তো আসলেই প্রকট সমস্যা। আরে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ দেয়ার পর কম তো হল না কাজ করছিস কোম্পানিতে। ট্রেনিংও তো পেয়েছিস ঢের তুই। তারপরও কাস্টমার স্যাটিসফেকশনের এ বি সিও জানিস না নাকি ? একই সাথে মনে পড়লো, এই রিয়াদেরই ক্যাব ড্রাইভার কেরালার কবিরের কথা। পরশুদিন খুব ভোরে সে আমাকে দাম্মামগামী ফ্লাইটে তুলে দেবার জন্য রিয়াদ এয়ারপোর্টে নিয়ে যাচ্ছিল যখন, নিত্যকার স্বভাবমতো তার সাথে ভালোমন্দ আলাপ করেছিলাম তখন। সে জন্যই কী না জানি না, এয়রাপোর্টে পৌঁছে ভাড়া আর বকশিশ মিটিয়ে ট্যাক্সি থেকে আমি নামার উপক্রম করতেই জিজ্ঞেস করেছিল কবির, ফিরবো কবে? কোন ফ্লাইটে?

জিজ্ঞেস করেছিলাম, তা জেনে তার কী কাজ?

বলেছিল কবির তখন, আমি যেহেতু ট্যাক্সিতে গিয়েছিলাম এয়ারপোর্টে, ফেরার সময়ও নিশ্চয় ট্যাক্সি লাগবে আমার। যদি আমার ফ্লাইটের সময় জানা থাকে তার, তবে সময়মতো হাজির থাকবে সে এয়ারপোর্টে। বলতে বলতে সে তার ব্যক্তিগত নাম্বারও দিয়েছিল। যাতে যেকোন সময় ট্যাক্সির প্রয়োজনে ক্যাব কোম্পানির ফোনে না ফোন না করে, ডাকতে পারি তাকে সরাসরি। অবাক ব্যাপার! গতরাতে সে ঠিকই আমাকে ফোন করেছিল রিয়াদের মাটিতে পা রাখার পরপরই। ফলে অতো রাতে ট্যাক্সি পেতে হাঙ্গামা পোহাতে হয়নি মোটেও, আমাকে!

কি ব্যাপার? চিন্তায় পড়ে গেলে নাকি রেগে গেছ খুব? শোন, বন্ধু হিসাবে তোমাকে একটা কথা বলি, হ্যান্ডেল উইথ কেয়ার। বুঝলে তো কী বলছি? তবে এ বেলা ওকে মোটেও ছাড় দিও না।”

খলিলের ইঙ্গিতে বুঝলাম, নিজে সে সৌদি হলেও, অফিসের হাওয়ায় ফিসফিসিয়ে যে মিশরি মাফিয়ার কথা উড়ে বেড়ায়, সমজে চলে সেও তাদের। অবশ্য, তা তো তাকে করতেই হবে। কারণ তার টিমেরও তো ৯০ ভাগই মিশরি। বললাম তাই, অবশ্যই কোনই ছাড় হবে না। একদিকে এ হল আফিফির চূড়ান্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। অন্যদিকে বলেছে সে ডাহা মিথ্যা! দুটোই কোম্পানির ভ্যালু সিস্টেমের সাথে যায় না।

দাঁড়াও, দাঁড়াও। মাথা গরম করো না। কী করবে, ঠিক করেছ ?”

মাথা গরম হয়েছে ঠিক। তা বলে গরম কিছু করতে যাচ্ছি না। এমনকি তোমার কাছ থেকে যে বিস্তারিত অঘটনটা জেনেছি, তাও বলবো না। শুধু আজ বিকেলে অফিস থেকে বের হওয়ার আগে আফিফিকে ডেকে বলবো, তার ঐ পাঁচজন প্রফেসরের সাথে অবিলম্বে দেখা করতে চাই। সে যেন ব্যবস্থা করে। জানি এই ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে অচিরেই সে ঐ প্রফেসরদের ঠাণ্ডা করার জন্যে বেহুদা স্পন্সরশীপের প্রপোজাল নিয়ে আসবে আমার কাছে। তাকে সে সুযোগ দেবো না।

আমি তো ভায়া আগেই বলেছি, অফিসিয়াল ব্যাপারে তুমি বেশ চালু মাল! শুধু ঐ ব্যাপারেই তুমি বাতিল মাল! নাহ, খুব ভাল বুদ্ধি করেছ!”

আচ্ছা খলিল, একটা ব্যাপার বল তো ? আমার প্রোডাক্ট ম্যানেজাররা সুযোগ পেলেই মক্কায় যায় কেন ক্লিনিকাল মিটিং করতে? এই যে এই মিটিংটাতো রিয়াদেও করতে পারত আফিফি। তাতে তো খরচও কম হতো। আরে পাঁচজনের দুইজন প্রফেসরই তো রিয়াদের কিং ফয়সাল স্পেশালিষ্ট হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ সেন্টারে আছেন। ওখানেইতো জানি সবচেয়ে ভাল রেস্পিরেট্রি ডিপার্টমেন্ট আছে? এক্সপার্ট মিটিংয়ের জন্য ওটাইতো ভাল হতো!

শোন এখানকার সব কোম্পানিই ডাক্তারদের নিয়ে যায়, মিটিং করতে মক্কায়। এটাই দস্তুর। আচ্ছা এবার বলো, তুমি কি জানো আমাদের স্ট্রাটেজি ডিপার্ট্মেন্টের হেড কে হতে যাচ্ছে? বা কোন দেশ থেকে তাকে আনতে যাচ্ছেন বস?”

বুঝলাম মক্কায় ক্লিনিক্যাল মিটিং করার বিষয়টা, যা নিয়ে মেডিক্যাল হেড সামি আজমি সুযোগ পেলেই দেয় আমাকে যৌক্তিক খোঁচা; ধামাচাপা দিতে চাচ্ছে খলিল ওটা। হুম বুঝেছি। নিজেকেই বের করতে হবে এর মাজেজা। মনে মনে ভাবতে ভাবতে খলিলের প্রশ্নের উত্তরে বললাম, গত মাস খানেকের বেশি সময় ধরে বাজেট প্লানিং নিয়ে এতোই ব্যস্ত ছিলাম যে, অন্য কিছু নিয়ে মাথা ঘামানোর সময়ই পাই নি।

না না, বলছিলাম কী, তুমি যেহেতু ঐ ডিপার্টমেন্টের, ইসাম, রিজভি, তালাত আদ দিব আর বাসেমকে নিয়ে কাজ করছ, ভাবলাম তুমি হয়তো জানো। কি হতে যাচ্ছে ঐ ডিপার্টমেন্টে।”

ওহ! তা তো বাজেটের কাজের জন্য করেছি। এছাড়া ওরা, মানে বিশেষত ইসাম আর রাজভি সারাক্ষন খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে বসের কাছে ধর্না দেয় বলে, আমাকেও তাদেরকে বলেছেন উনি; এসব ছুটকা বিষয় যেন আপাতত আমি দেখি।

হুম তা জানি। শোন আরেকটা ব্যাপার জানি, বলছি তা এখন। ঐ যে ইসাম বদটা আছে না? শুনেছি সে নাকি বসকে বলেছে, একমাত্র বস মানে ফিল ছাড়া আর কারো কাছেই সে রিপোর্ট করবে না। অন্য কাউকে ঐ ডিপার্টমেন্টের দায়িত্ব দিলে নাকি সে চাকরী ছেড়ে দেবে! ফিল অবশ্য মোটেও পাত্তা দেয়নি তাকে। আচ্ছা সৈয়দ রিজভিকে তুমি কী করেছ, বলো তো?”

স্ট্রাটেজি ডিপার্টমেন্টের ঐ দুই নরেশ পরেশ, যারা তাদের নিজেদের কারনেই মোটামুটি সকলের কাছেই অজনপ্রিয় এবং আপাতত আনঅফিসিয়ালি হলেও আমার কাছেই যে তারা রিপোর্ট করছে, এ বিষয়ে অনেকেরই যে তীব্র নীরব আগ্রহ আছে, তা জানি। জানি আরো, এদের কেউ কেউ এও দেখতে চাচ্ছে যে, দুইজন মিলে কী রকম নাকানি চুবানি খাওয়ায়, আমাকে এই মরুর মরীচিকার জলে, তা। খলিল ঐ দ্বিতীয় দলে আছে বলে ভুলেও মনে হয় না। জিজ্ঞেস করলাম তাই, কেন কী করেছে রিজভি?

না কিছু করেনি। আমি সেদিন বসের রুমে ঢুকছি যখন, রিজভি তখন বেরুচ্ছিল তখন। দুজনের মধ্যে কী কথা হয়েছে বা হচ্ছিল আগে, তা জানি না। তবে বেরুতে বেরুতে রিজভি বলছিল “আই এম ফাইন উইথ মিঃ সেলিম।“ শুনেছি ওটা। ভাবছি তাই, ঐ ত্যাঁদড়রে কী করেছ তুমি? আচ্ছা পরেই শুনবো ওটা। এখন উঠি। কাজ আছে”বলেই এরই মধ্যে ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া মিন্টটিয়ের কাপের তলানিটুকু এক চুমুকে গিলে বেরিয়ে গেল খলিল।

লেখক : ভ্রমণসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক

পূর্ববর্তী নিবন্ধসততা, শিক্ষা ও মেধার মূল্যায়ন জরুরি
পরবর্তী নিবন্ধমাইকেল মধুসূদন দত্ত ও মেধনাদবধ কাব্য