দেশ হতে দেশান্তরে

ঘটনার নাকি গল্পের মিল?

সেলিম সোলায়মান | রবিবার , ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ at ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ

একটা ব্যাপার লক্ষ করেছি অনেক বারই তা হল, এই গ্রহের দিকে দিকে সমাজে সমাজে প্রচলিত কিছু গল্পের মধ্যে বেশ মিল আছে। শুনেছি সে সব গল্প যখনই, মনে হয়েছে প্রতিবারই, ভৌগলিকভাবে দুরতিক্রম্য ও দুর্গম দূরত্বে বসবাস করা বিচ্ছিন্ন ঐ জনগোষ্ঠীর গল্প গুলোতেই যখন এতো মিল কেন? মানে কী? একই রকম ঘটনা আসলেই কি ঘটেছিল নাকি এই গ্রহের নানান প্রান্তে?

হচ্ছিল তেমনি মনে, হাইতাম আজ্জমের সাথে গতকাল কিং ফাহাদ কজওয়ে পেরিয়ে বাররাইনে উঁকি দিতে যাবার সময় বলা তার গল্প শুনে। শুরুতে বলছিল সে, বাহরাইন থেকে ফেরার সময় এই কজওয়ের উপরে জায়গায় জায়গায় গাড়ী থামিয়ে বাহরাইন থেকে ফিরে আসা সৌদিমুখী গাড়ীগুলোকে তন্ন তন্ন করে চেক করে সৌদি পুলিশ; যাতে পবিত্রভূমিতে হারাম পানিয়, মদিরা বা অন্যকোন নেশাদ্রব্য ঢুকে না পড়ে। অতএব পড়তে পারি আমারও ঐ চেকিং এর মুখোমুখি তা শুনে, একটু ঘাবড়েই গিয়েছিলাম। নাহ, বাহরাইন থেকে ঐসব হারাম বস্তু পবিত্রভূমিতে ঢোকানোর কোনই দুরভিসন্ধি তো ছিলই না কখোনই আমার মনে ভুলেও। ঘাবড়ে গিয়েছিলাম আমার ঐ কর্মনিষিদ্ধ, বিজনেস ভিসাটির কারনে, যা নিয়ে আমি পারতপক্ষে আইন শৃংখলা বাহিনীর কারো মুখোমুখি হতে চাই না। তবে হাইতামের কাছে নিজের ঐ ঘাবড়ে যাওয়া ভাবটি লুকানোর মানসে বলেছিলাম, তাই নাকি? তবে এ তো অতি স্বাভাবিক ঘটনা। শুধু হালাল হারাম হওয়ার কারণেই যে বর্ডার এলাকায় এরকম চেকিং হয় তা তো নয়। আরো অনেক অনেক কারণেই বর্ডারে এই সব চেকিং হয়, যার মধ্যে অন্যতম হল চোরাচালান ঠেকানো আর সন্ত্রাস ঠেকানো।

তা ঠিক ড. সেলিম, তবে আমি যা বলতে চাচ্ছিলাম তা কিন্তু খুব মজার”

ওহ তাই নাকি? আচ্ছা বল তো শুনি

একবার হয়েছে কী, দশাসই সাইজের এক সৌদি, আগের দিন সন্ধ্যায় গিয়ে গোটা রাত মানামার এক বারে ভর পেট গিলে বেহুঁশ হয়ে পড়েছিল। পরের দিন বেশ বেলা করে তার হুঁশ ফিরলে, সে যখন ফিরছে গাড়ী চালিয়ে, নেশার ঘোর সম্ভবত কাটেনি তখনও তার । ফলে, পুলিশ ব্রিজের উপর তার গাড়ী থামিয়ে তাকে যখন জিজ্ঞেস করেছিল সে কোন মাদক নিয়ে আসছে কি না? হাউ হাউ করে চিৎকার করে দিয়েছে উত্তর সে অবলীলায়, এ আবার কেমন প্রশ্ন? গেলামই তো সেইজন্য? আছেই তো!

এ শুনে পুলিশ তাকে গাড়ী থেকে নামতে বলে, গোটা গাড়ী তন্ন তন্ন করে খুঁজেও কিছু না পেয়ে বেকুব বনে গিয়ে যখন বলেছিল, খালি খালি মশকরা করে তাদেরকে এরকম বেগার খাটানোটা কি ঠিক হল?

উত্তরে সে বলেছিল, আরে বেকুবেরা আলবৎ সত্য বলছি আমি। শোন মাতাল ভুলেও মিছা কথা কইয়া পাপের পাল্লা ভারী করে না কখনও? তোরা খুঁজে যদি না পাস, তা কি আমার দোষ? এই যে এই ড্রামটা ভর্তি মদ, আছে যেটা তোদের চোখেরই সামনে? বলেই সে হাসতে হাসতে নিজ বিশালকায় ভুঁড়ি চাপড়াতে চাপড়াতে এক চক্কর আরবি নাচ নেচেছিল।

শুনে হেসে উঠি সশব্দে আমিও, কারণ হাসির গল্পে শ্রোতা না হাসলে, গল্পের বক্তা পড়ে যায় ধন্দে। আর এ তো অবশ্যই হাসির গল্প। তবে ভাবছিলাম, আরে এ ধরনের গল্পতো আগেও পড়েছিলাম মনে হচ্ছে, আমাদের ভ্রমণ সাহিত্য, রম্য সাহিত্যের বিখ্যাত সৈয়দ, মুজতবা আলীর কোন লেখায়। সে গল্পের স্থান ছিল সম্ভবত আসাম সিলেট বর্ডার। সে গল্পের পাত্র আর কালও অতি অবশ্যই ছিল ভিন্ন। শুধু গল্প বা ঘটনা দুটো যে এক, তাতেই একটা বিষয় নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয় যে, সকল কালে, সকল দেশে, সকল সমাজে মাতালেরাই, সদা সত্য কথা বলিয়া থাকে।

সে যাক, কথা হচ্ছে এবার রিয়াদের বাইরে আমার এই এক রাত্রি দ্বি দিবসের সময়গুলো কোন ধরনের ঝুট ঝামেলা ছাড়াই, হয়েছে অবশ্যই ফলপ্রসূ। মাঝখান থেকে রেখেছি পা দুই দেশের তিন শহরে। প্রথমত হোটেলে থেকে বেরিয়ে হাইতাম নিয়ে গিয়েছিল আলখোবার শহরে, যেখানকার হাফ মুন বে রিসোর্টে ছিলাম কিছুকাল আগে। তবে এবারের গন্তব্য ছিল, খোবারকে বাহরাইনের সাথে যোগ করা ২৫ কিমি দীর্ঘ কজওয়ে, যেটি নিয়েই উপরের ঐ গল্পের সূচনা করেছিল মৃদুভাষী সদাহাস্য হাইতাম আজ্জাম।

ঐ ক’জওয়ে পেরুতে গিয়ে নিজে মনে মনে যতই আতঙ্কিত ছিলাম দুই দেশের ইম্রিগ্রেশন নিয়ে, কপাল ভাল কিছুই হয়নি তার ।বেশ অবলীলায় পর পর সৌদি আর বাহরাইনি ইমিগ্রেশন পার হয়ে বাহরাইনে ঢোকার পর, হাইতাম যখন জিজ্ঞেস করেছিল, যাবো কিনা বাহরাইনের নাইট লাইফের হৃদপিণ্ড মধ্যপ্রাচ্যের লাস ভেগাস মানামার দিকে, নাম দিয়েছি যার আমি সৌদিদের হাতের কাছের ব্যাংকক, হেসে বলেছিলাম, এখন তো দুপুরও হয়নি। রাত তো অনেক দূর। চল ফিরে যাই। তুমি না বললে, ১ টার মধ্যে ফিরতে না পারলে, দাহরানের আরমকো হেডকোয়ার্টারের সেই ডাক্তারের সাথে দেখা করা মুশকিল হবে। আর আমি তো ছুটিতে আসিনি। আবার আজ তো ছুটির দিনও নয়।

শুনেই, হাইতাম সামনে গিয়ে ইউটার্ন নিতেই ফের পেয়ে বসেছিল মনে আবার ইমিগ্রেশনাতংক বা ফোবিয়া। কিন্তু নাহ ফিরতি পথেও দুই ইমিগ্রেশন পার হতে পারলাম সহজে। এদিকে হাইতাম যদিও বলছিল কিং ফাহাদ কজওয়েতে মাদকনিয়ন্ত্রক পুলিশ থামাবে গাড়ী, পরীক্ষা করার জন্য, তা নিয়েও ছিলাম দুশ্চিন্তায়। কিন্তু অবশেষে তাও হয়নি। ফলে সৌদির তৈলরাজধানীতে এসে আমার ভিসাটির হালালিকরন হয়ে গেল তৈল সান্দ্র পেলবতায়।

শুধুই ভ্রামনিকের দৃষ্টিকোণ থেকেও যদি বিচার করা যায়, তবে এই দ্বিদিবস এক রাত্রির ভ্রমণে, একদিকে সৌদির সবচেয়ে বড় পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের তিন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানও ঘোরা হয়েছে, দেখা হয়েছে। যার প্রথমটি হল, ঐ কিং ফাহদ কজওয়ে;, দ্বিতীয়টি অবশ্যই দাহরানস্থ এই বিশ্বের অর্থনীতি ও রাজনীতি ঘোরে যে তৈল শক্তির জোরে, সেটির অন্যতম ভ্ররকেন্দ্র সৌদি আরামকোর হেডকোয়ার্টার। তৃতীয়টি হল পারস্য উপসাগর যা নাকি আরব সাগর নামেও পরিচিত, সেটির তীরবর্তী চমৎকার দাম্মাম কর্নিশের সন্ধ্যা।

আবার পেশাগত দিক থেকে দেখতে গেলে, প্রথমত যেমন সৌদিতে আমার আরো ২৮ দিন থাকা নিশিচত করা গেছে ভিসা হালালিকরনের মধ্য দিয়ে , তেমনি পরদিন আমাদের পূর্ব প্রাদেশিক অঞ্চলের কার্যালয়টিতেও গিয়েছি। তাতে পরিচিত হওয়া গেছে অত্র এলাকায় কমর্রত সহকর্মীদের সাথে। কথা বলে জানা গেছে তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা। আবার রিয়াদ অফিসের স্টোরের মতোই, এখানকারও প্রমোশনাল ম্যাটিরেয়ল স্টোর দেখে খেয়েছি একই রকম ভির্মি। অবব্যহৃত বিপণন সামগ্রীতে একদম উপচে পড়ছে এই স্টোরটিও। অর্থাৎ কোম্পানিকা মাল দরিয়া মে ঢাল, এ নিয়মের কোন ব্যত্যয় হয়নি এখানেও। এ ব্যাপারে একটি সামগ্রিক রিপোর্ট দেবার জন্য, সি এফ ও আমিন ইব্রাহিম, দায়িত্ব দিয়েছিল, পাকিস্তান থেকে বেশ কিছুকাল আগে তারই আমদানিকৃত একাউন্টস ম্যানেজার কাজী সালাহউদ্দিনকে। এতদিন বাজেট বিষয়ক কাজে তুমুল ব্যস্ত থাকায়, সেটির খবর নেয়া হয়নি। এখন যেহেতু সেই ঝামেলা গেছে , অচিরেই বসতে হবে কিছুকাল আগে যে কষ্ট কন্ট্রোল টিম বানিয়ে দিয়েছিলাম, আমার টিমের রাদিকে হেড করে কাজীকে ডেপুটি বানিয়ে, বসতে হবে তাদের সাথে।

তবে সবচেয়ে বেশি যে ব্যাপারটায় উপকৃত হয়েছি হাইতামের সাথে ফিল্ডে কাজ করে, তা হল বুঝতে পেরেছি এতে সৌদি জীবনাচরণের সংস্কৃতির একটা দিক এবং সেটির সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত রোগীদের আচরণ। ফলে পেশাগত কাজ তো হয়েছেই, সাথে নিবৃত হয়েছে এখানকার সংস্কৃতি বিষয়ে জানার আমার ব্যক্তিগত কৌতূহল।

ঘটনা হচ্ছে বাহরাইন থেকে ফিরতে বলেছিলাম হাইতামকে, চল এবার যাই, তাহলে দাহরানস্থ আরামকোর সেই মেডিক্যাল সেন্টারের তোমার গুরুত্বপূর্ণ ডাক্তারের কাছে। সে মোতাবেক দুপউর ১টার পৌঁছেছিলাম সৌদির ভেতর আমেরিকান নিয়মে চলা আরামকোর রাজ্যে। দেখা হয়েছিল সেখানে পাকিস্তানি সুন্দরী ডাঃ মরিয়ম নুরের সাথে। জবরজং কাজ করা পাকিস্তানি সালোয়ার কামিজ উপর শুধু সাদা ডাক্তারি এপ্রন চাপিয়ে ডাঃ নূর নিরবে ঘোষণা করছিলেন , এ রাজ্য আম্রিকার। বয়স কতো হবে? হবে হয়তো ৪০ বা ৪৫। কিম্বা হতে পারে পয়ত্রিশও । অবশ্য তার বয়স কতো তা তো আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল না মোটেও। আগ্রহী ছিলাম বরং তার কাছ থেকে এখানকার রোগী ও রোগীদের পরিবারের সদস্যেদের রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কিত আচরণ জানতে।

তার ফলশ্রুতিতে হাইতামের পেশাগত কথাবার্তা শেষ হতেই, কনলাস্ট্যান্ট সাইকিয়াট্রিস্ট ডাঃ নুরকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেছিলাম, আমি জানি আপনি ডিমেনশিয়া মানে স্মৃতিভ্রষ্টতার যে ঔষধটি আছে আমাদের সেটি অহরহই দিয়ে থাকেন রোগীদের। আবার এও জানি যে, স্মৃতিভ্রষ্টতার কারনে এই রোগীদের যেহেতু নানান রকমের পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার দেখা দেয়, যেসব কে দেশে দেশে সমাজে সমাজে মানুষ পাগলামি মনে করে বলে, রোগীদের মানসিক রোগের ডাক্তারদের কাছে নিয়ে আসে; এমতাবস্থায় এখানে ঠিক কোন কারণে রোগীর লোকজন তাদের রোগীকে কোন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে না নিয়ে আপনার কাছে নিয়ে আসে, এটা একটু বলবেন কি ?

দীর্ঘ উপক্রমণিকা সহ করা আমার সেই প্রশ্নে কিছুক্ষণ চুপ থেকে একদৃষ্টিতে আমার চোখে চোখে তাকিয়ে, আমতা আমতা করতে করতে অবশেষে ডঃ নূর ফিস ফিস করে বলেছিলেন– “ইমেপ্রাপার সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার, মানে অগ্রহণযোগ্য যৌন আচরণ।” শুনে বেশ অস্বস্তিতে পড়লেও দ্রুত তা গোপন করে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আমাদের মতো রক্ষণশীল সমাজে, যে কোন যৌন আচরণই তো অগ্রহণযোগ্য! সৌদি তো এ ব্যাপারে আর খড়গহস্তই জানি। তারপরও কোন সে আচরণ তাতে হেসে বলেছিলেন উনি, “শোনেন, এ নিয়েও কিন্তু নারীপুরুষ ভেদ আছে এখানে। যেমন আমার একজন রোগিণী বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি। আহা বেচারি অপ্লবয়সেই পড়েছে এই রোগের খপ্পরে। সে যখন আবায় ছাড়া কিছুটা আলুথালু বেশে নানান পুরুষদের সাথে বিশেষত তাদের ভিনদেশী ড্রাইভারের সাথে গল্প গুজব করতে শুরু করে, তখন তার ছেলেমেয়েরা স্বভাবতই তুমুল আপত্তি করে। কিন্তু তারপরও উনি যখন অবলীলায় তা উপেক্ষা করে ড্রাইভারের সাথে খোসগল্প করতে থাকে, ছেলেমেয়েরা ধরে নেয় যে নির্ঘাত উনি পাগল হয়ে গেছেন তাই নিয়ে এসেছিল আমার কাছে !

থ্যাংকস ডক্টর, দেটস এ গ্রেট লার্নিং আই গট ফ্রম ইউ।

দাঁড়ান, দাঁড়ান পুরুষ ভার্সনটা তো শোন নি। আমার আরেক পুরুষ রোগী , বয়স তার ষাটের বেশি, তাকে কেন নিয়ে এসেছে তা কি অনুমান করতে পারেন?

নাহ। আসলে সৌদিতে আমার বেশীদিন হয়নি তো, তাই আপনাদের সাথে দেখা হলেই সুযোগ নেই জানার। সুতরাং বলেন আপনিইশোনেন, ঐ লোক তার ঘরে কাজ করা একাধিক দাসির সাথে অহরহই সেক্স করতো অনেক আগে থেকেই এবং তা জানতোও পরিবারের সবাই। কিন্তু তা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায়নি। কিন্তু যেই না সে তার নিজের ছেলের বউয়ের দিকে হাত বাড়িয়েছে, তখনই তারা ধরে নিয়েছে এ বুড়ো নির্ঘাত পাগল হয়ে গেছে। বুঝলেন এখানে একই পরিবারে পুরুষরা সবাই, মানে ভাই , বাবা, ছেলে একই দাসির সাথে দৈহিক সম্পর্ক করাটাকে একদম স্বাভাবিক মনে করে!

কী ব্যাপার? পকেটে ফোন ভাইব্রেট করছে কেন? একটু আগেই বিমান রিয়াদে ল্যান্ড করার পর যাচ্ছি এখন আমার ব্যাগ আনতে। রাত বাজে এখন সাড়ে দশটা। এসময় আবার কে ফোন করলো , কেন? ভাবতে ভাবতে পকেট দেখে ফোন বের করতেই দেখিফোন করেছে ট্যাক্সি ক্যাব ড্রাইভার, কেরালার কবির, যে নাকি গতকাল কাকডাকা ভোরে নামিয়ে দিয়েছিল এখানে। জানি না কি কারনে, সে নামিয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় জেনে নিয়েছিল আমার কাছে ফিরবো কবে, কোন সময়ে?

আমার উত্তর শুনে বলেছিল হাজির থাকবে সে এয়ারপোর্টে। ব্যাপারটাকে মোটেও তখন পাত্তা নি দিলেও এখন তো দেখছি কথা রেখেছে কবির। যাক এ রাতে এয়ারপোর্টের সৌদি ড্রাইভারের ক্যাব ড্রাইভারদের সিন্ডিকেট এড়িয়ে, উপমাহদেশিয় ক্যাব ড্রাইভার খোঁজার হাঙ্গামা থেকে বাঁচা গেল, এতে।

লেখক : প্রাবন্ধিক, ভ্রমণসাহিত্যিক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধএক অনবদ্য অনুষ্ঠান
পরবর্তী নিবন্ধমাইকেল মধুসূদন দত্ত ও মেধনাদবধ কাব্য