নাক ডুবিয়ে কাজ করার তুমুল ব্যস্ততার কারনে ঝড়ের গতিতে যে পেরিয়ে গেছে একটি মাস, টের পাইনি। নাহ এটি সৌর বছরের ৩০/৩১ দিনের সৌরমাস না। আজ হল আসলে দেশ থেকে আসার ২৮তম দিন, মানে চান্দ্রমাসের হিসাবে একমাস। সে বার সৌরমাস আর চান্দ্র মাসের হিসাবের ফেরে ইমিগ্রেশনের জালে আটকা পড়ে দুবাইগামী বিমানে চড়ার বদলে, অবৈধ অবস্থানকারীর তকমা নিয়ে রিয়াদে ফিরে বেশীরভাগ সময় নিজ বসাস্থানে কারাবাসের যন্ত্রণা ভোগ করার পর, এবার আগে থেকেই ঐ সৌরমাস চান্দ্রমাস বিভ্রাট এড়ানোর জন্য সবাধনতা হিসাবে, আরবিতে লেখা নানান তথ্যসমৃদ্ধ ভিসাটি পরীক্ষা করার জন্য দিয়াছিলাম সহকর্মী ও আমাদের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান গিউসির কাছে।
আমার জন্য ভিসাটির পাঠযোগ্য ইংরেজি অংশ থেকে জেনেছি, এটি ছ’মাস মেয়াদের মাল্টিপল এন্ট্রির বিজনেস ভিজিট ভিসা। আর যা লেখা আছে ইংরেজিতে এতে, তা হল এই ভিসায় কোন কাজ করা যাবে না। ভিসাটির আরবি অংশ পরীক্ষা করে গিউসি জানিয়েছিল, ভিসাটি শর্তসাপেক্ষে ৬ মাসের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা। আর সে শর্তটি হল একটানা একমাস সৌদিতে থাকার পর, আমাকে অবশ্যই বেরিয়ে যেতে হবে সৌদি থেকে। তারপর ফিরে আসলে ভিসাটি ফের, এক মাসের জন্য হালাল হবে। শুনে, ভেবেছিলাম প্রথমে, বাহ! ভালই তো হল। প্রতিবারই একমাস শেষ হবার আগেই এক দু দিনের জন্য ঢাকায় গিয়ে দারাপুত্র পরিবারের সাথে কাটিয়ে আসা যাবে। কিন্তু হায়! আমার সেই আশার গুড়ে বালি ছিটিয়ে গিউসি ভিসাটি হালালকরণের, একটা সহজ দাম্মামপদ্ধতি বের করেছে যা হল, সৌদির প্রতিবেশী দ্বীপ রাষ্ট্র বাহরাইন যেহেতু কারো সৌদিভিসা থাকলে তাকে যেতে দেয় বাহরাইনে, সেহেতু ঢাকার বদলে দাম্মাম গিয়ে ওখান থেকে পারস্য উপসাগরের উপর দিয়ে পাঁচটি সেতু আর সাতটি বাঁধের সমন্বয়ে তৈরি ২৫ কিলমিটার দীর্ঘ কিং ফাহাদ কক্সওয়ে পেরিয়ে বাহরাইনে উঁকি দিয়ে ফিরে আসলেই, ভিসাটি হালাল হয়ে যাবে আরো এক মাসের জন্য। এতে সাপ তো মরবেই, থাকবে লাঠিও অটুট।
সেই কারণে আজ এই ২৮তম দিনের সাতসকালে চড়েছি দাম্মামগামী ফ্লাইটে। আকাশে উড়ার লক্ষ্যে এ মুহূর্তে ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের, ১৬০/১৭০ জন যাত্রী ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন এয়ারবাস ৩২০ ঘরানার বিমানটি রানওয়ে ধরে, দিয়েছে ভো দৌড়। সপ্তাহের প্রতিদিনই বলা চলে ঘণ্টায় ঘণ্টায় সৌদির রাজনৈতিক প্রশাসনিক রাজধানী রিয়াদ আর তেলের রাজধানী দাম্মামের মধ্যকার এই রুটটিতে ফ্লাইটের উড়াউড়ির ঘনঘটাই বলে দিচ্ছে এই দুই নগরের গুরুত্বের বিষয়টি। ইচ্ছে করলে আজই দাম্মাম নেমে, বাহরাইনে উঁকি দিয়ে, বিকেলের দিকে নয়তো সন্ধ্যায় ফিরতে পারতাম রিয়াদের নিজ ডেরায়। কিন্তু আসার পর থেকে নাক ডুবিয়ে একটানা কাজ করতে করতে হাফিয়ে না উঠলেও পেয়ে বসেছিল কিছুটা একঘেয়েমিতে, তার মধ্যে আবার গত চারদিন ছিল স্নায়ুক্ষরা মানসিক চাপের। ফলে খুঁজছিলাম একটু দম নেবার ফুরসৎ। সে কারণে ঠিক করেছিলাম রথ দেখার এই দাম্মাম যাত্রায় কলাও বেঁচেই ফিরবো, আগামী কাল রাতে।
একটু পর দাম্মাম নেমে হোটেলে চেক ইন করেই, কিং ফাহাদ কক্সওয়ে ধরে এগিয়ে বাহরাইনে উঁকি দিয়ে, ভিসাটিকে পরবর্তী একমাসের জন্য হালাল করে ফিরে আসবো দাম্মামে। অতঃপর করবো কাজ ফিল্ডে। সে জন্য হেড অব সেলস খলিল, তার স্নায়ু ও মানসিক রোগ টিমের, এই অঞ্চলের টপপারফর্মারকে আমার সাথে এটাচড করে দিয়েছে। হাইতাম আজ্জম নামের এই মিশরির সাথে সাক্ষাৎ পরিচয় না হলেও শুনেছি তার নাম অনেকবারই। ভাল পারফর্মার হওয়াতে কোম্পানির মাসিক তারকা লিস্টি মানে স্টার পারফর্মারদের যে লিস্ট বের হয় প্রতি মাসে, একাধিকবার দেখেছি তাতে তার নাম ও ছবি। এছাড়া আজ দাম্মাম যাচ্ছি এবং কাজ করবো হাইতাম আজ্জমের সাথে, এ কথা চাউর হতেই, হাইতামের সরাসরি বস, স্নায়ু ও মানসিক রোগ টিমের ম্যানেজার মোহাম্মেদ আল গারও আমার সাথে দেখা করে, দাম্মাম মার্কেট ও ওখানকার টিম সম্পর্কে ব্রিফ করেছে। এরই মধ্যে সেলস টিমের যে কয়জন তাদের চলন বলন, কাজকর্ম ও বুদ্ধিমত্তার কারণে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, তার মধ্যে আছে মোহাম্মেদ আল গার সবার উপরে। এ নিশ্চিত যে আল গার, দাম্মামে আমার দেখভালের কোন ত্রুটি যেন না হয়, সে ব্যাপারে হাইতামকে অবশ্যই বলে রেখেছে। এর আগে দাম্মামে এসে হাফ মুন বে রিসোর্টে থাকলেও, দাম্মাম তো দেখা হয় নি। এ যাত্রায় করবো উসুল তা, ষোলআনাই। ফিল্ডওয়ার্কের এই এক মজা, একটু চোখ কান খোলা রাখলেই কাজ কে আর কাজ মনে হয় না, হয়ে যায় উল্টো ঐ যে বলছিলাম রথ দেখার সাথে কলা বেচা, তাও।
খুঁজলে সবকিছুরই কোন না কোন একটা ভাল দিক খুঁজে পাওয়া যায়ই। এই যেমন, সৌদিতে ফ্লাইটের কোন সিটে কাকে দেয়া হবে, তা নিয়ে বর্ণবাদি যে নিয়ম আছে, সে নিয়ম মেনে ,বিমানের মোটামুটি লেজের দিকে আমার সিট বরাদ্দ হলেও, আমার পাশে বসানোর মতো আর কাউকে পায়নি বলে, পেয়েছি আমি একাই তিনটা সিট। দূরপাল্লার ফ্লাইট হলে, একটু আগে টেক অফ করে নির্দিষ্ট উচ্চতায় উঠে নাক সোজা করে বিমানটি দাম্মামের দিকে ছোটা শুরু করতেই, ঝিম ঝিম করে একটু ঘুমের মতো যে এসেছিল, তাতে সিটের উপরে সটান শুয়ে দেয়া যেত ঘুম। কিন্তু মাত্র এক ঘণ্টার ফ্লাইং টাইমের এই ফ্লাইটে তা করতে গেলে হাস্যকর ঠেকবে তা। অতএব শোয়ার বদলে, একদম হাত পা ছড়িয়ে বসে সিটে হেলান দিয়ে মুদলাম চোখ। আটটার এই ফ্লাইট ধরার জন্য বিছানা তো ছেড়েছি সেই ভোর পাঁচটায়; এই সুযোগে একটা নাতিদীর্ঘ ঘুম দিতে পারলে, কাটবে দিনটা ভাল।
কিন্তু নাহ, ঘুম তো না, চোখ মুদতেই মগজের নিউরনে নিউরনে দৌড়ঝাঁপ থেকে শুরু করে লম্ফঝম্প দিতে লাগলো, একটানা চার সপ্তাহের কাজের নানান ঘটনাবলি, যে সব নিয়ে ভাববারও কূল পাইনি এতোদিন। প্রথমেই মনে পড়লো স্নায়ুক্ষরা ও তুমুল মানসিক চাপের তরতাজা গত চারদিনের কথা। নিজের টিমের প্রত্যেকের সাথেই দীর্ঘ সময় ধরে করতে হয়েছে এসময় তাদের মিড ইয়ার পারফর্মেন্স রিভিউর কাজ। এ কাজের শুরুতেই, এ বিষয়ে দেশের টিমের সাথে দীর্ঘ ও সিঙ্গাপুর টিমের সাথে নাতিদীর্ঘ যে অভিজ্ঞতা আছে ঝুলিতে, তা মনে হচ্ছিল কোনই কাজে আসবে না। এমনিতে মিশরিসমৃদ্ধ আমার টিমের প্রত্যেকেই পোশাকে আশাকে চলনে বলনে অত্যন্ত ঝানু প্রফেশনাল ভাব ধরে থাকলেও, পারফর্মেন্স রিভিউ করতে গিয়ে কিনা মুখোমুখি হতে হল এদের বাড়াবাড়ি রকমের অযৌক্তিক ছেলেমিপনার!
একটু খুলেই বলি বিষয়টি। আমাদের কোম্পানির সকল শ্রেণীর কর্মকর্তাদের বাৎসরিক পারফর্মেন্স রিভিউর যে পদ্ধতিটি আছে, এটি অত্যন্ত আধুনিক ও উচ্চমানের। পুরোপুরি কম্পিউটারাইজড এই সিস্টেমে বছরের শুরুতে প্রত্যেককে নিজে নিজে নিজের টার্গেট সেট করার পর, যার যার বস সেটি রিভিউ করে প্রয়োজনে পরিবর্তন পরিবর্ধন করার পর, প্রত্যেকের বাৎসরিক টার্গেট ঠিক হয়ে যায় সিস্টেমে। এরপর বছরের মাঝখানে এসে প্রত্যেককে বছরের শুরুতে ঠিক করা সেই টার্গেটের নিরিখে বছরের মাঝপথে কতটুকু সে এগুলো তা নিয়ে নিজেকে নিজেই মুল্যায়ন করার পর, চলে যায় সেটি যার যার বসের কাছে। এবার বস তার টিমের সবার নিজে নিজে করা মুল্যায়নগুলো পর্যালোচনা করে, প্রত্যেকের সাথে সামনাসামনি বসে এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছে, প্রত্যেকের পারফর্মেন্সের সাময়িক রেইটিং দিয়ে প্রত্যেককে তাদের টার্গেটের ব্যাপারে সচেতন করার সাথে অনুপ্রানিত করার জন্য।তারপর বছর শেষে ফের একইভাবে ফাইনাল যে রেইটং হয়, সেটিই বাৎসরিক বেতনবৃদ্ধি, বোনাস প্রাপ্তির অন্যতম নির্ধারক হয়ে উঠে।
বিষয় হচ্ছে, এবার দেশ থেকে আসার পর থেকেই বিরতিহীনভাবে কাজ করে বাজেট প্লানিংয়ের কাজ শেষ করে, হেডকোয়ার্টারের সাথের নির্ধারিত ডিফেন্স মীটিঙও বলা চলে বেশ সার্থকভাবে উৎরে যাবার পর, এরই মধ্যে আমার কম্পিউটারের মগজে এসে জমা হওয়া টিমের নানানজনের, নিজ নিজ স্বমুল্যায়ন পর্যালোচনা করতে গিয়েই হয়েছিল চক্ষু চড়কগাছ! কারণ সবাই দেখলাম হাতের কাছে থাকা যাবতীয় তথ্য উপাত্ত বেমালুম উপেক্ষা করে নিজেই নিজেকে একেকজন সুপার পারফর্মার হিসেবে দাবী করে বসে আছে!
নাহ, এ যাবতকালের পেশাগত জীবনে এরকম অবস্থার মুখোমুখি হইনি আর। ভাবছিলাম তাই, করি কী? আরে আমার ডিপার্ট্মেন্টের সবাই যদি সুপার পারফর্মার হয়, তবে তো গোটা কোম্পানিরই যে এই সময় আকাশে উড়ার কথা, এ কি তারা কেউ বোঝে না নাকি? কোম্পানি তো করছে পারফর্মেন্স। আরে বিখ্যাত নরমাল ডিস্ট্রিবিউশনের সূত্রমতে কখনো কোন কোম্পানি যদি সুপার পারফর্মও করে, তারপরও সেই কোম্পানিতে খুব জোর দশ, পনের বা বিশ ভাগ সুপার পারফর্মার থাকে। বাকী ৭০ থেকে ৮০ /৮৫ ভাগ থাকে গড়পড়তা পারফর্মার। বাকী দশ থেকে পনের ভাগ হয় পুওর পারফর্মার। কিন্তু আমার টিমের সবাই মানে ১০০ ভাগই দাবী করছে তারা সুপার ডুপার পারফর্মার! তার মানে কী? পৌনে তিনশ বছর আগে আবিষ্কৃত নরমাল ডিস্ট্রিবিউশনের সূত্র, ২০০৯ সালে রিয়াদের মাটিতে আমার টিমের কাছে মহাভুলে পর্যবসিত হল?
না, তা তো অবশ্যই নয়। আমি যা করতে পারি তা হল সব ধরনের প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত নিয়ে একে একে তাদের সাথে বসে নির্মোহ, নৈর্ব্যক্তিক ও যৌক্তিক আলোচনা শেষে প্রত্যেকের রেটিং এর ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছানো। কিন্তু এদের নিজের সম্পর্কে নিজের যত উচ্চ ধারনা তাতে তা সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছিল না। স্বপর্যালোচনায় প্রত্যেকেই ইনিয়ে বিনিয়ে নানানভাবে লিখেছে, তারা সবাই এক্কেবারে পার্থের মতো সর্বক্ষণ ছুড়েছে তীর, নির্ভুল । তারপরেও তীর টার্গেটে না লাগার কারণ হল অন্যদের ভুল , নয়তো ভুলটা করেছে বাতাস। এরকম যাদের মনোভাব তাদের নিয়ে এ বিষয়ক আলোচনা যে কতোটা বিরক্তিকর ও স্নায়ুক্ষরা হতে পারে টের পেয়েছি তা হাড়ে হাড়ে, প্রথমবারের মত!
তবে তাদের সাথে বসার আগে নিয়েছিলাম বস ফিলের শরণ। আমার কথা শুনে স্বভাবসুলভ হাসিতে বলেছে সে, “দ্যাটস হোয়াই ইউ আর হিয়ার বাডি। স্ট্রেইটেন দেম আপ। কিন্তু ধীরে যেও বৎশ। মাত্র বছর খানেক আগেই তো পড়েছে তারা এই সিস্টেমে। এর আগে তো সবই চলতো সৌদি ডিস্ট্রিবিউটরের সৌদি নিয়মে। যেখানে বস ইজ অলওয়েজ রাইটই নিয়ম।” ফিলের কথায় বুঝেছিলাম, করার যা কিছু, করতে হবে এ অধমকে। বস হিসেবে আমি অবশ্য সোজা পথ ধরতে পারি, তা হল আলাপ আলোচনা শেষে, তারা যদি নিজেদের রেইটিংয়ের ব্যাপারে একমত না হয়, তবে বসের ক্ষমতায় আমি তাদের যাকে বলে ফোর্স ব্যাংকিং করে দিতে পারি। মানে তালগাছ আমার নীতি ।কিন্তু সেটিও করার ব্যাপারে পাইনি সায় নিজ মনেরই। ফলে প্রয়োজনের বাইরেও প্রচুর তথ্যউপাত্তসমৃদ্ধ হয়ে বসেছিলাম প্রত্যেকের সাথেই। বলেছিই তো, সে ছিল এই মরুতে এখন পর্যন্ত পার করা সবচেয়ে স্নায়ুক্ষরা চার দিন। যতই তথ্য উপাত্ত থাকুক, টিমের যাদের সাথে দেখা হয় কথা হয় অষ্টপ্রহর, তাদের কাউকে মুখের উপর, কাজ যে সে ভাল করেনি এমন বলাটা বেশ কঠিন! আসলে যে কোন সত্য উচ্চারণই তো,কঠিন! তারপরও লিডারশিপ বিষয়ে সেই বিখ্যাত কথাটা, মানে নেতাকে যে আইসক্রিম বিক্রেতা হলে চলবে না, শুরু থেকেই মনেপ্রাণে, মানি তা। আর তথ্যউপাত্তের ভিত্তিতে কোদালকে যেহেতু কোদালই বলে এসেছি এতোকাল, বলব তা এই মরুর বিরুদ্ধ পরিবেশেও। এমন প্রতিজ্ঞায় পার করেছি অবশেষে ঐ পর্ব।
নাহ একমাত্র আফিফি ছাড়া, দীর্ঘ আলোচনা শেষে টিমের বাকীরা নিজ নিজ রেটিং নিয়ে আমার সাথে একমত হয়েছিল বলে নিজে নিজে বেশ তৃপ্তি পেলেও, টিমে সেই থেকে করছে বিরাজ করছে গুমোট থমথমে ভাব। যেহেতু নিরূপায় হয়ে শেষ পর্যন্ত আফিফিকে করতে হয়েছিল ফোর্স র্যাংকিং, সেই থেকে সে দেখছি টিমের নানানজনের রুমে রুমে গিয়ে ফিসফাস করে, কী যেন ঘোঁট পাকানোর চেষ্টা করছে! সে যাক, তা নিয়ে আর না ভাবি । নিজের কাছে নিজে তো আছি পরিষ্কার। আপাতত ভিসা হালালকরণের দাম্মাম পর্ব সারি তো। বিমানবালা এইমাত্র সিট বেল্ট বাঁধার ঘোষণা দিয়েছে। অচিরেই নামবে প্লেন। দেখা যাক কী হয় অভিজ্ঞতা দাম্মামে ও বাহরাইনে।
লেখক : প্রাবন্ধিক, ভ্রমণ সাহিত্যিক











