সিডনির জুবিলি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিন অনুশীলন করল বাংলাদেশ দল। ছোটখাট আকৃতির স্টেডিয়ামের চারপাশ যেমন মনোরম, ভেতরের মাঠ যেন নরম তুলতুলে সবুজ চাদর। উইমেন’স এশিয়ান কাপের মূল লড়াইয়ে নামার আগে এখানে শনিবারও ঘাম ঝরিয়েছেন ঋতুপর্ণা–শিউলিরা। দেশে থাকতে মেয়েরা সাধারণত অনুশীলন করে কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের টার্ফে। মাঝেমধ্যে ঢাকা স্টেডিয়ামের সবুজ ঘাসে। কখনও কখনও প্রস্তুতি নিয়েছে চট্টগ্রামের কোরিয়ান ইপিজেডে। কিন্তু এর কোনো ভেন্যুই জুবিলি স্টেডিয়ামের মানের সাথে তুলনীয় নয়। ডিফেন্ডার শিউলি আজিমের কণ্ঠে তাই মাঠ নিয়ে ফুটে উঠল আক্ষেপ। ‘এখানকার সুযোগ–সুবিধা সব ভালো। বিশেষ করে মাঠের কথা বলব। মাঠ কতটা ভালো, বলে বোঝানো যাবে না। আমাদের দেশে এমন মাঠ থাকলে হয়তো আরও ভালো প্রস্তুতি নিতে পারতাম আমরা। আমাদের দেশের তুলনায় এ দেশের সব মাঠই ভালো।’ এর আগে ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের অনুশীলন মাঠেও প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়েছে শিউলিদের। ওই প্রীতি ম্যাচের ভুলগুলো শুধরে নিতে দল বাড়তি মনোযোগ দিচ্ছে বলে জানান দুটি উইমেন’স সাফ জয়ী এই ডিফেন্ডার। ‘আশা করি, আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিতে পারব। আমরা এখানে আসার পর একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছি। ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে, সেখানে যে ঘাটতি আর ভুলগুলো ছিল সেগুলো নিয়ে কোচ কাজ করছেন।’ সবশেষ উইমেন’স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের দাপুটে পথচলায় দারুণ ভূমিকা ছিল রক্ষণভাগের। চার ম্যাচে মাত্র দুই গোল হজম করেছিল দল। এশিয়ান কাপের ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন চীন ও তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে রক্ষণভাগকে দিতে হবে অগ্নিপরীক্ষা। ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের অভিজ্ঞতা টেনে শিউলি জানালেন পরীক্ষায় ভালো করার আশাবাদ। ‘মেয়েদের বিশ্বকাপে খেলা একটি দেশের (অস্ট্রেলিয়া) ক্লাব দলের বিপক্ষে নিজেদের শক্তি যাচাই করার সুযোগ পাওয়া আমাদের জন্য ছিল দারুণ অভিজ্ঞতা। রক্ষণভাগের যে ভুলগুলো ধরা পড়েছিল, গত কয়েক দিনের অনুশীলনে সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছি আমরা।’












