দেশে মব কালচার শেষ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্র মেরামতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি নির্ধারণ

| বৃহস্পতিবার , ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৬:২০ পূর্বাহ্ণ

দেশে আর কোনোভাবেই ‘মবের’ কোনো ঘটনা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সরকার গঠনের পর গতকাল বুধবার সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে নিজের দপ্তরে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাকর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় সালাহউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে মব কালচার শেষ। মব কালচারকে আর কোনোভাবে উৎসাহিত করা যাবে না। দাবি দাওয়া থাকবে, তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় উত্থাপন করতে হবে। মিছিল সমাবেশ করতে পারবে, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি অব্যাহত থাকবে কিন্তু দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে মহাসড়ক বন্ধ করা যাবে না। খবর বিডি/বাংলানিউজের।

দাবি আদায়ের জন্য মব কালচার এটা সহ্য করা হবে না। পুলিশ বাহিনীর প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয় মানে বাংলাদেশের মানুষ জানেই পুলিশ। পুলিশকে জনগণের বন্ধু বানাতে হবে। যে ভাবমূর্তি আগে নষ্ট হয়েছে সেটার উত্তরণ ঘটাতে হবে। মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত রাখার বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, পুরোপুরি দুর্নীতি মুক্ত মন্ত্রণালয় বানাতে হবে, সবার দায়বদ্ধতা, স্বচ্ছতা থাকবে। যে কেউ বাহিনীর মধ্যে অপরাধে জড়িত থাকলে সাথে সাথে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাষ্ট্র মেরামতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি নির্ধারণ: রাষ্ট্র মেরামতের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। গতকাল সচিবালয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তিনি এ সব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে প্রথামাফিক সরকারের প্রথম দিনে একটা ক্যাবিনেট মিটিং করতে হয় আমরা ক্যাবিনেট কলিকরা সবাই বসছিলেন। ওখানে অ্যাডভাইজর মহোদয় ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আমাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। কিছু অনুশাসন দিয়েছেন। প্রথমত যেটা হয় যে সরকারের প্রথম ১০০ দিনে কি কি অগ্রাধিকার আছে সেটা নির্ধারণ করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা এবার ১৮০ দিনের একটা প্রায়োরিটি নির্ধারণ করেছি।

সেটা পরে আপনারা জানতে পারবেন। আরও পরে ডিসাইড হবে। সরকারের অগ্রাধিকার বিবেচনায় আমরা প্রাথমিকভাবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখা আইনশৃক্সখলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করা এবং সরবরাহ চেইন আছে সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখা আর বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সেক্টরে যাতে কোনো সমস্যা না হয়। গ্যাস এবং বিদ্যুতে সেটার প্রতি লক্ষ্য রাখা ইত্যাদি। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্যান্য যেগুলো বিস্তারিত আলোচনা সেটা অফিশিয়াল ব্যাপার। মন্ত্রী বলেন, এরপরে বাংলাদেশ সরকারের সব সচিবদের সঙ্গে যেটা মিটিং হয় সেটাও প্রথামাফিক। তিনি সচিবদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, যে জনগণ আমাদের ইশতেহারের ওপরে রায় দিয়েছে। সুতরাং যেটা জনগণের ইচ্ছা জনগণই প্রাধান্য পাবে। তিনি বলেন, সরকারের ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য সচিবরা আন্তরিক হবেন সে আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া সবাইকে আমরা বলেছি, কে কার কি এফিলিয়েশন আছে সেটা আমরা দেখবো না আমরা মেরিট ভিত্তিতে সবাইকে যাচাই করব।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ২০২৮ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
পরবর্তী নিবন্ধশুরু হলো মাহে রমজান