দেশীয় তৈরি পাঞ্জাবিতে ভারতীয় স্টিকার সাঁটিয়ে বিক্রি হচ্ছিল। গতকাল নগরীর টেরিবাজারের রাজস্থান আউটলেটে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালিত অভিযানে এ জালিয়াতি ধরা পড়ে। পরে জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের দায়ে দেশজুড়ে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ–পরিচালক ফয়েজ উল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে খাজানা নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা এবং কুদু নামের অপর একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পোশাকের পুরোনো স্টিকারের উপর নতুন স্টিকার লাগিয়ে দাম বাড়ানোর দায়ে খাজানাকে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ইফতারসামগ্রী বিক্রি, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরির দায়ে কুদু’কে এ জরিমানা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নানা অনিয়মের দায়ে টেরিবাজারের রাজস্থান এবং খাজানা ও কুদুকে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্কও করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ–পরিচালক ফয়েজ উল্লাহ বলেন, অভিযানের সময় রাজস্থানে ১৩ হাজার ৯০০ টাকার একটি পাঞ্জাবিতে ভারতীয় ও বাংলাদেশি দুটি আলাদা ট্যাগ পাওয়া গেছে। যাচাই করে দেখা গেছে, বাংলাদেশে তৈরি পাঞ্জাবীকে ভারতীয় উল্লেখ করে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছিল। কিছু পাঞ্জাবীতে ভারতীয় তৈরি কিংবা বাংলাদেশি তৈরি কোন স্টিকারই ছিল না। এমন আরো অনেক অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে। যার কারণে সতর্কতামূলক প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর আগেও রাজস্থানকে জরিমানা করা হয়েছে। যখনই অভিযান পরিচালনা করা হয়, অসঙ্গতি দূর করা হবে বলে আমাদের জানিয়েছিল। বাংলাদেশী তৈরি হলে মেইড ইন বাংলাদেশ, ভারতে তৈরি হলে মেইড ইন ইন্ডিয়ার স্টিকার লাগাতে হবে। কোনভাবেই ভোক্তার সাথে প্রতারণার সুযোগ নেই বলেও জানান ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা।












