দেশি কাপড় বিদেশি বলে বিক্রি ও দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ কসমেটিকস

দুই প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ১২ মার্চ, ২০২৬ at ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশি কাপড় বিদেশি বলে বিক্রির দায়ে নগরীর সানমার ওশান সিটির অ্যাঞ্জেলিক নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ চোখের লেন্স এবং অননুমোদিত বিভিন্ন প্রসাধনী বিক্রির দায়ে রেড আর্থ নামের অপর এক প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ’র নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সার্বিক চিত্র তুলে ধরে অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, পোশাকে পাকিস্তানি কিছু ব্র্যান্ডের নাম দেখেছি। তবে তারা ডকুমেন্ট দেখাতে পারেননি।

একপর্যায়ে তারা বলেছে ঢাকা থেকে কিনেছে। ডকুমেন্ট দেখাতে পারেননি। মেড ইন পাকিস্তান উল্লেখও নেই। দুইএকটা পোশাক ইউএই থেকে কিনে এনেছে, সেগুলোর ভাউচার যাচাইয়ের সুযোগ নেই। কোনো পোশাকই আমদানি করা নয়। বাইরের যেসব পোশাক প্রদর্শন করছে তার একটা পোশাকও আমদানি করা নয়। মূল্যও প্রদর্শন করেনি। ২০২৩ সাল থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ কসমেটিকস বিক্রি হচ্ছে। অনেক বেশি এঙপেনসিভ কিছু পারফিউম আছে। যেটা অরজিনাল কিনা বের করা যায়নি। ফেইকও হতে পারে। ঈদ বাজারে সবাইকে সতর্ক করেছি। দেশি প্রোডাক্টে বিদেশি ট্যাগ দিয়ে বিক্রির সুযোগ নেই। আমরা যেহেতু এটা নিয়ে কাজ করা শুরু করেছি।

এ ট্রেন্ড বন্ধ করতে হবে। যদি আমাদের দেশের মানসম্মত পোশাক হয় তবে মেড ইন বাংলাদেশ দিয়ে বিক্রি করতে হবে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ভোক্তাদের একটু সতর্ক হওয়া লাগবে। আমাদের দেশে যে মানসম্মত পোশাক তৈরি হয় না তা কিন্তু নয়। বরং আমাদের পোশাক ইউরোপ আমেরিকার বাজারে যাচ্ছে। বিষয়টি মাথায় থাকতে হবে। কোনো ভোক্তা বাইরের প্রোডাক্ট চাইলে যেন অথেনটিক হয়। ফেইক একটা প্রোডাক্ট দিয়ে ভোক্তাকে বাইরের বলে চালিয়ে দেবে এটা যেন কোনোভাবে না হয়। সাধারণ ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমাদের জানালে আমরা ব্যবস্থা নেব।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমার্কেটে ক্রেতার ঢল
পরবর্তী নিবন্ধহাত দিয়ে টানলেই খুলে যায় সেই লিফট