কর্ণফুলীতে দিদারুল আলম (৪৯) নামে রিয়াজউদ্দিন বাজারের এক ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় দুই সহোদরের নাম উল্লেখসহ আরও ৪–৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত শনিবার রাতে নিহতের স্ত্রী শারমিন সুলতানা (৩৭) কর্ণফুলী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। রবিবার রাতে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর আলম। মামলার এজাহার অনুযায়ী, পটিয়ার জিরি ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ নগর এলাকার মৃত কবির আহম্মেদের ছেলে আবু তৈয়ব (৪৮) ও তার বড় ভাই আবু জাফর (৫৫) এ মামলার আসামি। ঘটনার পরপরই প্রধান আসামি আবু তৈয়বকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, নিহত দিদারুল আলমের রিয়াজউদ্দিন বাজারে ‘মেসার্স বাগদাদ স্টোর’ নামে একটি দোকান রয়েছে। প্রায় ১০–১২ বছর আগে ওই দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন আবু তৈয়ব। ব্যবসার আয়–ব্যয়ের তথ্য জানার সুযোগে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়ায় তাকে চাকরি থেকে বাদ দেন দিদারুল আলম। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি।
ঘটনার দিন অজ্ঞাত আসামিদের প্ররোচনায় আবু তৈয়ব পেছন থেকে ইট দিয়ে দিদারুল আলমকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে একই ইট দিয়ে নাক, মুখ, চোখ ও মাথায় পরপর আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার রাতে কর্ণফুলীর মইজ্জ্যারটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওসি শাহীনূর আলম জানান, মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।














