আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এমপি বলেছেন, চকরিয়ার স্থানীয় রাজনীতির বিষয়ে আমাদের দলের কাছে তথ্য রয়েছে এখানকার গুটিকয়েক নেতা দলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছেন। মূলত তারা বিএনপি–জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। তাই দলের পক্ষ থেকে তাদের সতর্ক করে দিতে চাই, যারা স্থানীয় এমপি জাফর আলমের বিরুদ্ধে মাঠে বক্তব্য–বিবৃতি দিচ্ছেন তারা প্রকারান্তরে দলের বিরুদ্ধে সরকারের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। অতএব সময় থাকতে সাবধান হয়ে যান, সবাই এককাতারে চলে আসুন। তিনি গত ১ জুলাই চকরিয়া উপজেলা, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত দলের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। পৌরশহরের থানা রাস্তার মাথার সিস্টেম চকরিয়া কমপ্লেক্স চত্বরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন স্থাপন, মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ, পাতাল রেল নির্মাণ, সারাদেশে শতাধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন, কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ, পেকুয়ার মগনামায় বানৌজা শেখ হাসিনা সাবমেরিন ঘাাঁটি স্থাপন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট–১ উৎক্ষেপনসহ সরকারের মেগাপ্রকল্পগুলোর ফিরিস্তি জনগণের সামনে তুলে ধরলেই আগামী জাতীয় নির্বাচনেও বাংলাদেশের মানুষ নৌকাকে অবশ্যই ভোট দেবে।
মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলম এমপি। বক্তব্য দেন, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা, পেকুয়ার সভাপতি সাইফুদ্দিন খালেদ, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, চকরিয়া পৌরসভার সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু, সাধারণ সম্পাদক লায়ন আলমগীর চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।












