দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ সিরিজে সমতা ফেরাল টাইগার যুবারা

ক্রীড়া প্রতিবেদক | শনিবার , ১৫ জুলাই, ২০২৩ at ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ

রাফিউজ্জামান রাফির দুর্দান্ত বোলিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব১৯ দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব১৯ দল। গতকাল রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ যুব ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব১৯ দলকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সফরকারীদের ১২৮ রানে বেঁধে ফেলে ২৯ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিক দল। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এখন ২২ সমতা। প্রথম ও তৃতীয় ম্যাচটি জিতেছিল প্রোটিয়াসরা। বাকি দুইটি স্বাগতিকরা। একই মাঠে আগামী সোমবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে লড়বে দুই দল। সিরিজে টিকে থাকতে বাঁচামরার লড়াইয়ে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক রাফি। বাঁহাতি স্পিনে ১৮ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। যুব ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর তার হাতেই উঠেছে ম্যাচ সেরার পুরস্কার। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রিজান হোসেনের তোপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। নিজের প্রথম ওভারে থিবি গ্যাজাইডেকে বোল্ড করেন। পরের বলে এলবিডব্লিউ ডেভিড টিজার। পাওয়ার প্লেতে জোনাথন ওয়ারেন ফন জাইলকেও আউট করেন রিজান। এক প্রান্ত আগলে দলকে টানছিলেন গিলবার্ট প্রিটোরিয়াস। রিচার্ড সেলেৎসোয়ানের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে তিনি গড়েন ৪০ রানের জুটি। রাফির বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ফিরেন ৪৩ রান করা প্রিটোরিয়াস। এরপর ১৮ রান করা সেলেৎসোয়ানকেও ফেরান রাফি। লিয়াম অ্যাল্ডার ও অলিভার জেমস হোয়াইটহেডের চেষ্টায় একশ পার করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়াসি সিদ্দিকের বলে ফিরেন হোয়াইটহেড। রাফির শিকার অ্যাল্ডার। নিজের অষ্টম ওভার করতে এসে পরপর দুই বলে কোয়েনা মাফাকা ও ত্রিস্টান লুসকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন রাফি। ১৩ ম্যাচের যুব ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবার পেলেন ৫ উইকেট। এছাড়া রিজান ৩টি ও ওয়াসি ২টি উইকেট নেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ফিরেন চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান। আরেক ওপেনার আদিল বিন সিদ্দিক খেলতে থাকেন মারমুখী ভঙ্গিতে। তবে বেশি দূর যেতে পারেননি তিনিও। ১৬ বলে ২৫ রান করে ফিরেন তিনি। চার নম্বরে নামা আরিফুল ইসলামও অল্পে আউট হওয়ার পর নাঈম আহমেদকে নিয়ে এগোতে থাকেন রিজান। দুজনের জুটিতে আসে ৩১ রান। কিন্তু হুট করেই ১ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ১৬ বলে ২১ রান করেন নাঈম। রিজান খেলেন ৫০ বলে ২২ রানের ইনিংস। শিহাব জেমসকে রানের খাতা খুলতে দেননি অ্যাল্ডার। ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারানো দলের হাল ধরেন মাহফুজুর ও আশরাফুর। কোনো ঝুঁকি না নিয়ে রয়েসয়ে খেলে বাকি কাজ সারেন এ দুজন। অ্যাল্ডারের বলে ছক্কা মেরে জয় নিশ্চিত করেন মাহফুজুর। দুজনেই অপরাজিত থাকেন ২৫ রানে । দক্ষিন আফ্রিকার পক্ষে অ্যাল্ডার নিয়েছেণ ৩ উইকেট। ম্যাচ সেরা হয়েছেন রাফিউজ্জামান রাফি। এখন ফাইনালে পরিনত হওয়া শেষ ম্যাচটি কে জিতে সেটাই দেখার।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হলো ইমরানকে
পরবর্তী নিবন্ধএকাডেমি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ১৩ দল চূড়ান্ত