দক্ষতা সনদের জালিয়াতি মোকাবিলার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

| সোমবার , ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সুনাম যাতে অক্ষুণ্ন থাকে, সেজন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সনদ জালিয়াতি ও ভুয়া সনদের ব্যবহার বন্ধে পদক্ষেপ নিতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল রোববার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এনএসডিএর গভর্নিং বডির এটি ছিল দ্বিতীয় সভা। এর আগে ২০২২ সালে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এনএসডিএ একটি ভালো ফ্রেমওয়ার্ক। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের শ্রমশক্তির চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এর গুরুত্ব আরও বাড়বে। মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের শ্রমশক্তির চাহিদা অনেক। কিন্তু দক্ষতা প্রশিক্ষণের সনদ জালিয়াতি ও প্রতারণার কারণে কর্মীদের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। চাকরিদাতারা যদি আস্থা হারিয়ে ফেলে, তাহলে দক্ষতা উন্নয়নের উদ্যোগগুলো ব্যর্থ হবে।

দেশের ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরির ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, চাকরিদাতারা যেন বলেন যে, বাংলাদেশ থেকে যেসব কর্মী এসেছে, নিশ্চয়ই তারা ভালো করবে। সবধরনের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে অভিন্ন মানের সনদ ব্যবস্থা চালুর যে উদ্যোগ নিয়েছে এনএসডি, তা সনদ জালিয়াতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন মুহাম্মদ ইউনূস।

তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা ও সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের জন্য সম্ভাবনার দরজা খুলে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। এক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোক্তারা যেন আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সমন্বয়ের ওপর জোর দেন প্রধান উপদেষ্টা।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ১২ তারিখে নির্বাচন হতে হবে দেশ পুনর্গঠনের নির্বাচন
পরবর্তী নিবন্ধ৭৮৬