জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেই। রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে শুরু করে বিমান ও যুদ্ধ বিমানগুলোর চেয়ারেও নারীরা বসেছে। দুর্দান্ত গতিতে তারা সর্বত্র নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা দিয়ে সুদৃঢ় অবস্থান গড়ে তুলছে। মন্ত্রণালয়, সচিবালয় থেকে শুরু করে দেশের সকল দপ্তর–সংস্থা, এমনকি বেসরকারি পর্যায়েও নারীরা কর্মরত থেকে তাদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছে। নারীদের অবদান দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। তাই নারীদের বাদ দিয়ে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন কখনো সম্ভব নয়। এজন্য আগামীতে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নারী–পুরুষ উভয়কে প্রযুক্তিগত জ্ঞানে দক্ষ হতে হবে।
গতকাল রোববার নগরীর সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও জাতীয় মহিলা সংস্থার যৌথ উদ্যোগে নারী দিবসের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান সহযোগিতায় ছিল বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশী, ইপসা, বাপসা ও খান ফাউন্ডেশন।
ডিসি বলেন, আমরা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে আপনি, আমি এবং আমার সন্তানেরা নিরাপদ থাকবে। আমরা অন্য কাউকে দোষারোপ করতে চাই না। প্রত্যেকে নিজেদের পরিবর্তন ঘটাতে পারলে নৃশংসতা ও শিশু ধর্ষণসহ সকল নির্যাতন থেকে রেহাই পাব। আমাদের মেধাবী সন্তানেরা দেশের বাইরে যাবে–এটা আমরা চাই না। আমরা প্রত্যেকে দেশপ্রেমে জাগ্রত হয়ে নিরাপদ সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কাজ করব। তিনি বলেন, একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে নারী–পুরুষের সমান অংশীদারিত্বের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা রাষ্ট্রীয় সংস্কারের অন্যতম প্রধান শর্ত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ–পরিচালক আতিয়া চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন প্রত্যাশীর সহকারী পরিচালক (ট্রেনিং) মোহাম্মদ সেলিম ও ইলমার প্রধান নির্বাহী জেসমিন সুলতানা পারু।












