বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি বলেছেন, পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠির রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সারাদেশ থেকে কর্মী খুঁজে খুঁজে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করেছিলেন। সেই কর্মীরাই পরবর্তীতে বিভিন্ন পর্যায়ে নেতা হয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাদের একজন চট্টগ্রামের ইসহাক মিয়া। ত্যাগ ও আদর্শের জন্যে মরহুম ইসহাক মিয়া চট্টগ্রামের মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন।
আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের সাবেক সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য ইসহাক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে তিনি একথা বলেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ পালিত, জসিম উদ্দিন শাহ, দপ্তর সম্পাদক মো. নুর খান প্রমুখ।
চসিক : বাংলাদেশের স্বাধীনতার সাথে বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য রাজনীতিক মো. ইসহাক মিয়ার নাম জড়িয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। গতকাল সোমবার সকালে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র কাউন্সিলরদের নিয়ে মো. ইসহাক মিয়ার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় মেয়র বলেন, ১৯৫২ সালের বাংলা ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনসহ ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলনে সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া। তিনি বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এজন্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসের পাতায় পাতায় চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান মোহাম্মদ ইসহাক মিয়ার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর গোলাম মো. জোবায়ের, নাজমুল হক (ডিউক), শাহেদ ইকবাল বাবু, গাজী মো. শফিউল আজিম, মোহাম্মদ ইসমাইল, আবুল হাসনাত মো. বেলাল, জাফরুল হায়দার সবুজ, আবদুস সালাম মাসুম, আবদুল মান্নান এবং চসিকের উপ–সচিব আশেক রসুল টিপু।
মহানগর আওয়ামী লীগ : চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, সৎ, নির্লোভ, নীতিবান, সাহসী ও নির্ভীক রাজনীতিকের অভাব জাতীয় সংকট তৈরি করছে। মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়ার মত পরিশুদ্ধ রাজনীতিকরাই আমাদের চেতনার বাতিঘর। এ ধরনের ব্যক্তিত্ববান রাজনীতিকরা চলে গেলেও তারা যে পথটি দেখিয়ে গেছেন সে পথে আমরা চলতে না পারলে আমরা কেউই নিরাপদ নই। গতকাল সকালে ইসহাক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবর প্রাঙ্গণে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, প্রয়াত জননেতা ইসহাক মিয়া সত্যিকার অর্থে আমার অভিভাবক ছিলেন। অনেক সংকটে ও বিপর্যয়ে তিনি ছিলেন আমাদের পরামর্শদাতা। আজ তাঁর মত সুদক্ষ পরামর্শদাতার অভাব রয়েছে। আজ একটি অশুভ শক্তি যে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধাক্কা দিতে চায় তাদেরকে প্রতিহত করতে ইসহাক মিয়ার মত কান্ডারী যথেষ্ট ছিলেন। তাঁর পথ ধরেই যখন আমরা চলেছি ইনশাল্লাহ ঐ অশুভ শক্তিকে রুখতে পারবো।
সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় আরো বক্তব্য রাখেন সহ–সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু, মরহুমের সন্তান মো. রিদুয়ান আহমেদ। সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সহ–সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ এমপি, উপদেষ্টা শফর আলী, শেখ মোহাম্মদ ইসহাক, চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসেন, কামরুল হাসান বুলু, আবদুল লতিফ টিপু, আসলাম হোসেন, এ.এস.এম ইসলাম, মো. ইলিয়াছ, রেজাউল করিম কায়সার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











