নির্ঘুম রাতে সোফিয়ার মনে প্রায়ই শঙ্কা জাগে একদিন হয়ত কল খুলে দেখবেন, তাতে আর পানি মিলছে না। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই বাসিন্দা বলেন, দিনশেষে আমরা তো মরুবাসীই। তেল–গ্যাস অর্থনীতির কেন্দ্রে থাকলেও পানি হলো আমাদের বেঁচে থাকার মূল রসদ। ইরান যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্য যত অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে, সোফিয়ার ভয়টা ততই বাড়ছে। খবর বিডিনিউজের।
নিরাপত্তার কারণে প্রকৃত নাম প্রকাশ না করা এই নারী বলেন, আমি যদি নিজেকে শত্রুর জায়গায় কল্পনা করি, তাহলে এই খাবার পানিকেই লক্ষ্যবস্তু বানাতাম। পানির অভাবে পড়তে পারি, একথা কখনো কল্পনাও করিনি। সিএনএনের একটি বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোফিয়ার মতো মধ্যপ্রাচ্যের অনেকের মধ্যেই এই ভয় ঢুকে গেছে যে, যুদ্ধে তাদের জীবনধারণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রসদটি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো ডেসালিনেশন বা বিলবণীকরণ পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল। এই পদ্ধতিতে সমুদ্রের পানিকে লবণমুক্ত করা হয়।












