পবিত্র কোরআন পাঠ ও মশাল জ্বালিয়ে পর্দা উঠলো ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল ও কলেজ চট্টগ্রামের এবারের ১৯ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কর্নেল মেজবাউল ইসলাম খান ডব্লিউ সি পি এস সি কর্নেল স্টাফ ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান। বিএনসিসির পাইলট, কলেজের অধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাঁকে সম্মান জানিয়ে এগিয়ে নিয়ে যান মূল মঞ্চের দিকে। বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। প্রথমে ছিল সুশৃঙ্খল কুচকাওয়াজ। এতে অংশগ্রহণ করে স্কুলের চারটি হাউজ, গার্লস গার্লস গাইডস, বি এন সি সি ও স্কুলের নিজস্ব বাদক দল। পুরো কুচক আওয়াজের দায়িত্বে ছিল দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র এবং সি ই এস সির প্রিফেক্ট জাওয়াদ উল আওসাফ মজুমদার। প্রত্যেক মানুষের আত্মরক্ষার জন্য তায়কানডো জানা খুব প্রয়োজন। তাইতো এই স্কুলে শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষার জন্য তায়কানডো শেখানো হয়। কুচকাওয়াজ শেষে পরবর্তী আকর্ষণ ছিল তায়কানডো যেখানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের আত্মরক্ষামূলক কৌশল প্রদর্শন করে। এরপর পরিবেশিত হয় বর্ণিল ডিসপ্লে। এতে অংশগ্রহণ করে প্রায় ৫০০ জন শিক্ষার্থী। শোতে তারা তুলে ধরে বাঙালি ও পাহাড়ীদের ঐতিহ্য। বাঙালি, পাহাড়ী আমরা যাই হই না কেন আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি, বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি। এরপর আয়োজন করা হয় মেয়েদের ১০০ মিটার দৌড় ও ছেলেদের যোগাযোগ দৌড় এতে যথাক্রমে বিজয়ী হয় ডক্টর মোঃ শহিদুল্লাহ হাউজ ও ডক্টর খুদরত ই খুদা হাউজ। এরপর অভিভাবকদের খেলা। নারী অভিভাবকদের জন্য ছিল বালিশ খেলা ও পুরুষ অভিভাবকদের জন্য ছিল বেলুন ফাটানো। ভীষণ উত্তেজনাপূর্ণ ছিল খেলা দুটি। অভিভাবকদের আগ্রহ ও উৎসাহ দেখে মনে হয়েছে তারা যেন ফিরে গেলেন তাদের শৈশবে। এরপর বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের পালা। বছরের বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় হাউজের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল বেগম রোকেয়া হাউজ। তাই ২০২৬ এর চ্যাম্পিয়ন বেগম রোকেয়া হাউস। রানার্সআপ হয়েছে ডক্টর খুদরত ই খুদা হাউজ। অধ্যক্ষ মহোদয় লেফটেন্টেন কর্নেল রোমানা জামান পিএসসি শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা শিশুর শারীরিক ও মানুষের বিকাশে দারুণ প্রতিফলন ঘটায়। এটি একটি শিশুর বর্তমানকে সুগঠিত করে এবং ভবিষ্যৎকে স্বর্ণ শিখরে পৌঁছাতে সাহায্য করে। এরপর বিউগলের সুরে সুরে সিইএসসি ও চার হাউজের পতাকা অবতরণ করার মধ্য দিয়ে ইতি টানা হয় প্রতিযোগিতার। ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় পুরো ক্যাম্পাসকে দারুণ ও আকর্ষণীয়ভাবে শিল্পীর তুলির ছোঁয়ায় রঙিন করে তোলেন স্কুলেরই শিক্ষক মো. সোহাগ মিয়া।












