দেশের অন্যতম সমৃদ্ধ আবৃত্তি সংগঠন তারুণ্যের উচ্ছ্বাস পথচলার দুই দশকে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে সংগঠনটি আয়োজন করেছে বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালা। বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালার প্রথম আয়োজন হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কবিতার নানা দলীয় পরিবেশনা নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণিল বৃন্দোৎসব।
নান্দনিক এ আয়োজনে তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের শিল্পীরা নতুন ৮টি বৃন্দ এবং দেশের নন্দিত ৮টি সংগঠনের শিল্পীরা আমন্ত্রিত হয়ে বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন। সন্ধ্যা ৬টায় উদ্বোধনী পর্বে অতিথি ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী অঞ্চল চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সংগঠক আব্দুল হালিম দোভাষ এবং সম্মিলিত আবৃত্তি জোট সভাপতি ফারুক তাহের। মঞ্চে ছিলেন তারুণ্যের উচ্ছ্বাস প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য মুজাহিদুল ইসলাম, মিঠু তলাপাত্র ও শ্রাবণী দাশগুপ্তা। আবৃত্তিশিল্পী সেজুতি দে’র সঞ্চালনায় বৃন্দ আবৃত্তি পর্বে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস সদস্যরা পরিবেশন করে শ্রাবণী দাশগুপ্তার নির্দেশনায় ‘মানুষের মানচিত্র’, মোহাম্মদ মুফরাত হোসেনের নির্দেশনায় ‘কর্ণফুলী’, শারমিন মুস্তারী নাজুর নির্দেশনায় ‘জন্ম নাকি মৃত্যুর খেলা’, সুস্মিতা দত্তের নির্দেশনায় ‘আদিগন্তের ঋতু কথন’, সাফা মারওয়ার নির্দেশনায় ‘ছড়া এক্কে ছড়া’, কারিশমা কবির ঐশীর নির্দেশনায় ‘খুললো জাদুর ঝুলি, রাজেশ্বরী চৌধুরীর নির্দেশনায় ‘একুশ আমার অহংকার’ এবং পায়েল বিশ্বাসের নির্দেশনায় ‘ধুলোমাখা বইয়ের পাতা’ শিরোনামের নতুন ৮টি বৃন্দ প্রযোজনা। আমন্ত্রিত সংগঠন হিসেবে বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে বোধন আবৃত্তি পরিষদ, উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জ, মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চ, প্রমিতি সাংস্কৃতিক একাডেমি, প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমি।











