তাইওয়ান প্রণালির সীমারেখা অতিক্রম করে চীনের সামরিক মহড়া

| রবিবার , ৯ এপ্রিল, ২০২৩ at ৫:৪১ পূর্বাহ্ণ

চীনের সামরিক বাহিনী তাইওয়ানকে ঘিরে ফেলার এক মহড়া শুরু করেছে, যেটি চলবে তিন দিন ধরে। বেইজিং এই মহড়াকে তাইওয়ানের সরকারের প্রতি এক কড়া হুঁশিয়ারি বলে বর্ণনা করেছে। চীন তাইওয়ানকে তাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া এক দেশ বলে গণ্য করে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইংওয়েন যুক্তরাষ্ট্রে এক সফর শেষে দেশে ফেরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চীন এই সামরিক মহড়া শুরু করে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ৪২টি চীনা সামরিক বিমান এবং আটটি যুদ্ধ জাহাজ তাইওয়ান প্রণালির মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে। এই মধ্যরেখাকে চীন ও তাইওয়ানের মাঝখানে অঘোষিত সীমারেখা বলে ধরা হয়। খবর বাংলানিউজের।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, সামরিক মহড়ার সময় তাইওয়ান দ্বীপের চারপাশে যুগপৎ টহল এবং অগ্রাভিযান চালানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে তাইওয়ানকে একদম ঘিরে ফেলার মাধ্যমে একটি ‘প্রতিরোধমূলক অবস্থান’ নেওয়া হচ্ছে। সামরিক মহড়ায় দূরপাল্লার রকেট, নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজ, বিমান বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ, বোমারু বিমানসহ অনেক অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।

তাইওয়ান নিজেদেরকে একটি সার্বভৌম দেশ বলে গণ্য করে। দেশটির আছে নিজস্ব সংবিধান এবং নির্বাচিত সরকার। কিন্তু চীন মনে করে, এটি তাদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ, একদিন যেটি বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং এ জন্য প্রয়োজনে তারা শক্তি প্রয়োগে প্রস্তুত। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এমন কথাও বলেছেন, তাইওয়ানের সঙ্গে চীনের ‘পুনরেকত্রীকরণ’ লক্ষ্য ‘অবশ্যই পূরণ হতে হবে’। তাইওয়ানের চারপাশ ঘিরে চীন মাঝেমধ্যেই মহড়া দেয়। কিন্তু এবার দ্বীপটি ঘিরে চীন যে মহড়া শুরু করেছে সেটিকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই যে যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে দেখা করে এসেছেন, তার পাল্টা ব্যবস্থা বলে মনে করা হচ্ছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ‘গণতন্ত্র সম্মেলন’এ দাওয়াতের রাজনীতি ও মুমূর্ষু গণতন্ত্র
পরবর্তী নিবন্ধগাউসিয়া কমিটি জামাল খান শাখার সেলাই মেশিন বিতরণ