চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেছেন, ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করার মাধ্যমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য আমাদের সকলের নিজ নিজ কর্মস্থল, বাড়ি–ঘর ও আঙিনা নিয়মিত পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি জনসচেতনতার বিকল্প নেই।
গতকাল শনিবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা অভিযান–২০২৬’ এবং র্যালির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, নর্দমায়, নোংরা ও ময়লা পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে না। হাসপাতাল, ঘর ও আশপাশের যেকোনো পাত্রে বা জায়গায় জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করলে এডিস মশার লার্ভা মরে যায়। জেনারেল হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালের চারপাশের ঝোপ–ঝাড়, নালা–নর্দমা সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে না পারে। তিনি আরও বলেন, এয়ার কন্ডিশনার, ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র, ড্রাম, পরিত্যক্ত টায়ার, মাটির পাত্র, বালতি, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা, নারকেলের মালা, কন্টেইনার, মটকা, ব্যাটারি শেল ও পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে। জীবন বাঁচানোর জন্য যেকোনো উপায়ে এডিস মশা ধ্বংস করতে হবে। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং মশারি ব্যবহারের মাধ্যমে ডেঙ্গু সংক্রমণ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।
চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মো. একরাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. লুৎফুর কবির শিমুল, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি) ডা. রওশন আরা শিমুল, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আশিক আমান, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেস্থেশিয়া) ডা. মঈনুল আহসানসহ সর্বস্তরের চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












