৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়েরকৃত একটি মামলায় পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের ডা. রবিউল হোসেনের ছেলে রিয়াজ হোসেনের জামিন চেয়ে করা আবেদনে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়েছেন তার আইনজীবী। আবেদনে বলা হয়– ‘রিয়াজ হোসেনকে কারাগার কর্তৃপক্ষ চমেক হাসপাতালের আইসিউতে স্থানান্তর করেন এবং বর্তমানে উক্ত আসামি চমেক হাসপাতালের আইসিউতে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে।’ পরে কলম দিয়ে কেটে দিয়ে ‘চমেক’ শব্দটার স্থলে ‘জেল’ শব্দটা যুক্ত করা হয়। গতকাল আদালতে জামিন শুনানির সময় আসামির আইসিউ’তে থাকার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করেন মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী। এরই প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট–২ বিষয়টি যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। উক্ত প্রতিবেদনের উপর আজ সোমবার রিয়াজ হোসেনের জামিন চেয়ে করা আবেদনের উপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন মামলার বাদীর আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসান। এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন দৈনিক আজাদীকে বলেন, ‘রিয়াজ হোসেনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়নি। তিনি কারাগারেই আছেন। তবে সেটি আইসিউ নয়।’ চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে কোনো আইসিউ নেই বলেও জানান তিনি।
৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের ডা. রবিউল হোসেনের ছেলে রিয়াজ হোসেনকে গত ১৫ জানুয়ারি আদালতের ওয়ারেন্টমূলে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, রিয়াজ হোসেন ও তার পিতাসহ কয়েকজন মিলে ৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগে খুলশী থানায় মামলা রয়েছে। এ মামলায় রিয়াজ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের নজরদারিতে ছিলেন।












