ডলার সাশ্রয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩ নির্দেশনা

| শুক্রবার , ১৫ জুলাই, ২০২২ at ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ

চলমান ডলার সংকটের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদের ওপর চাপ কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে নতুন তিনটি নীতি পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গতকাল ডলারের চাহিদা কমিয়ে আনতে পণ্য আমদানি তদারকি, অব্যবহৃত ডলার নগদায়ন এবং ব্যাংকের অফশোর ইউনিট থেকে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য অর্থ ধার নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে আলাদাভাবে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি র্নিধারণী এই তিন সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাংকগুলোর কাছে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বাড়বে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী রপ্তানি আয় হিসেবে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার ইআরকিউ (রপ্তানিকারকের রিটেনশন কোটা) হিসাবে রাখা অর্থের ৫০ শতাংশ নগদায়ন করতে হবে এবং এর সীমা কমানো হয়েছে। অপরদিকে ব্যাংকের বিদেশে পরিচালিত অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট থেকে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য মূলধনী যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল ও সরকারি পর্যায়ে আমদানির জন্য ব্যাংকের রেগুলেটরি মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ অর্থ যোগান দেওয়া যাবে। এছাড়া ৫০ লাখ ডলারের বেশি পণ্য আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলার ২৪ ঘণ্টা আগেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নির্দিষ্ট ছকের মাধ্যমে জানাতে হবে; সঙ্গে দিতে হবে পণ্যের বিবরণ। এ নির্দেশনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনলাইন ওয়েবপোর্টালে আমদানি পণ্যের দাম, পরিমাণ ও ইনভয়েস জমা দিতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এর ফলে দেশে কী পরিমাণ পণ্য আমদানি হতে যাচ্ছে, কারা করছে, সেই পণ্যর দাম কেমন হতে পারে সে বিষয়ে এলসি খোলার আগেই ধারণা পাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে এর আগে গত এপ্রিলে বিলাসি পণ্য আমদানিতে লাগাম টেনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিলাসী পণ্যর তালিকা দিয়ে তার বিপরীতে আমদানিতে নগদ মার্জিন শতভাগ রাখা ও ঋণ দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবার আমদানি পণ্য তদারকি শুরু করলো বাংলাদেশ ব্যাংক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপথে পথে সৈন্য, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে কলম্বো
পরবর্তী নিবন্ধরাঙামাটি ভূমি অফিসের কানুনগো কারাগারে