টেকনাফে টানা জালে ধরা পড়ল ১৩০ মণ মাছ, ১০ লাখে বিক্রি

| রবিবার , ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সমুদ্র সৈকতে টানা জালে বিভিন্ন প্রজাতির ১৩০ মণ মাছ ধরা পড়েছে; যা বিক্রি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকায়। বিপুল মাছ ধরা পড়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা সৈকতে ভিড় জমান।

গতকাল শনিবার দুপুরে সদর ইউনিয়নের গোদারবিল এলাকার রফিক আলম মুন্নার জালে মাছগুলো ধরা পড়ে বলে জানান টেকনাফ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার উমূল ফারা বেগম তাজকিরা। তিনি বলেন, মহেশখালীয়াপাড়া এলাকার সমুদ্র সৈকতে মাছগুলো ধরা পড়ে। জালে ছোট পোয়া, ছোট ফাইস্যা, বড় ফাইস্যা, মলা, ছুরি, বাটানহ নানা প্রজাতির ছোট বড় মাছ আটকা পড়ে।

জালের মালিক রফিক আলম মুন্না বলেন, সকাল ৮টার দিকে সৈকত থেকে ৩০ জন মাঝি টানা জাল নিয়ে নৌকায় করে সাগরে মাছ ধরতে নামেন। বেলা ১টার দিকে জাল টান দিলে ঝাঁকে ঝাঁকে ছোট বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ দেখা যায়। পরে অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়ে মাছগুলো সমুদ্র সৈকতে তুলে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয় বলে জানান তিনি। খবর বিডিনিউজের।

মাছ ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ বলেন, প্রতি কেজি ছোট মাছের দাম পড়েছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। মাছগুলো বরফ দিয়ে ড্রামে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বেশির ভাগ পোপা ও ছুরি শুঁটকি করা হবে। আড়াই কেজি কাঁচা ছুরি রোদে শুকালে এক কেজির বেশি শুঁটকি পাওয়া যায়। প্রতি কেজি শুঁটকি ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায় বিক্রি হবে। আর বাকি মাছগুলো কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পাঠানো হবে।

মৎস্য কর্মকর্তার উমূল ফারা বলেন, জালে ধরা পড়া মাছের মধ্যে রয়েছে পোয়া, ছোট ফাইস্যা, বড় ফাইস্যা, মলা, ছুরি, রূপচাঁদা ও ইলিশ। এসব মাছ বিক্রি করে জেলেরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। শীতের মৌসুমী এসব ছোট মাছ সাগরের প্রজনন বেশি হয়। মাছের প্রজনন ও ডিম ছাড়ার সময় সাগরে ৬৫ দিন সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকে। প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় সাগরে প্রচুর মাছ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান এ মৎস্য কর্মকর্তা।

পূর্ববর্তী নিবন্ধএবার দেশ গড়ার পালা
পরবর্তী নিবন্ধডিসি পার্কে মাসব্যাপী ফুল উৎসবের বর্ণাঢ্য সমাপ্তি