এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড বায়োইনফরমেটিক্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. এ কে এম মনিরুজ্জামান মোল্লা জানান, প্রতিটি জীবের বৃদ্ধি, কর্মকাণ্ড, সৃষ্টি ও প্রজননের পেছনে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে ডিএনএ। একে বলা হয় কোড অব লাইফ। বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ক্রিক এবং জেমস ওয়াটসনের এই আবিষ্কারের সুফল পাচ্ছে এখন পুরো পৃথিবী। রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে ইনসুলিন তৈরি। জিন থেরাপি মানুষকে আশার আলো দেখাচ্ছে রোগমুক্তির। টিকা আবিষ্কার সম্ভব হয়েছে এই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে। জিএমও এর প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্ভব হয়েছে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন, খাদ্য সমস্যার সমাধান। হিউম্যান জিনোম প্রজেক্ট মানুষের অনেক অনেক দুরারোগ্য ব্যাধির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সাহায্য করছে। কৃষিক্ষেত্রে ঘটছে বিপ্লব। বাংলাদেশের অনেক ফসল এবং উদ্ভিদে নতুনত্ব আনা সম্ভব হয়েছে ডিএনএ ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই গবেষণায় বাংলাদেশের আরও অনেক বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন।












