চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও লোহাগাড়া উপজেলায় গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। হাটহাজারীতে কৃষিজমির টপসয়েল কাটার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সময়ে লোহাগাড়া উপজেলায় অবৈধ মাটি কাটায় ব্যবহৃত দুটি এঙকেভেটর জব্দ করা হয়।
হাটহাজারী : প্রতিনিধি জানান, উপজেলার ধলইপুল এলাকায় রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাহেদ আরমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে কৃষিজমির টপসয়েল কাটার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার দায়ে মো. জুয়েল মিয়াকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অনাদায়ে আরও সাত দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডিত জুয়েল ধলই ইউনিয়নের শফিনগর এলাকার মো. মাহবুব আলীর পুত্র। অভিযান সূত্রে জানা যায়, টপসয়েল কাটার অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে গেলে জড়িতরা পালিয়ে যায়। তবে অভিযানের সময় মোটরসাইকেলে এক ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের গতিবিধি অনুসরণ করে অভিযুক্তদের তথ্য সরবরাহ করছিলেন। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন, ২০১০ এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
লোহাগাড়া : প্রতিনিধি জানান, উপজেলার আমিরাবাদ, আধুনগর ও কলাউজান ইউনিয়নে গভীর রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে অবৈধভাবে ফসলি জমির টপসয়েল কাটার অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে যায়। এ সময় আধুনগর বড়ুয়া পাড়া ও কলাউজান এলাকা থেকে মাটি কাটায় ব্যবহৃত দুটি এঙকেভেটর জব্দ করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জনস্বার্থে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন।












