বাঁশখালীর প্রধান সড়ক ও হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ে গাছ ভেঙে সড়কে উপড়ে পড়েছে। কিছু জায়গায় বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ফলে সড়কে যান চলাচল ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দুর্ভোগে পড়েছেন অনেকে।
বাঁশখালী : বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের সাহেবের হাঁট সংলগ্ন প্রধান সড়কে ঝড়ো হাওয়ায় পুরানো একটি বটগাছ উপড়ে পড়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে গাছটি পড়ার পর যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টার পর বটগাছটি রাস্তার উপর থেকে অপসারণ করা হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুপুরে ঝড়ো বাতাসে বটগাছটি প্রধান সড়কের মাঝামাঝি পড়াতে বাঁশখালী থেকে চট্টগ্রাম শহরগামী ও চট্টগ্রাম থেকে বাঁশখালীগামী যাত্রীবাহী বাস, সিএনজি, অ্যাম্বুলেন্সসহ সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। পরে রামদাশ হাট পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা, বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় প্রায় ২ ঘণ্টা পর উপড়ে যাওয়া বটগাছটি অপসারণ করা হয়। বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আযাদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছি। বেলা ৩টার দিকে গাছ কেটে অপসারণের পর সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করা হয়। এদিকে হাটহাজারী প্রতিনিধি জানান, গতকাল দুপুরে উপজেলার চিকনদন্ডী ও দক্ষিণ মার্দাশা এলাকায় টর্নেডো আঘাত আনে। এতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বিপর্যয় দেখা দেয়। এছাড়া দাতারাম চৌধুরী সড়কের দুই পাশে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিস প্রায় চার ঘণ্টা প্রচেষ্টা চালিয়ে সড়কে উপড়ে পড়া গাছ সরিয়ে নিলে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হয়।
জানা যায়, ১২ থেকে ১৫ মিনিট স্থায়ী এই টর্নেডোর আঘাতে বাড়ি ঘরের তেমন ক্ষতি না হলে ও চৌধুরীহাট–দক্ষিণ মাদার্শা–মদুনাঘাট সড়কের দুই পাশে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে যায়। এতে এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস উপড়ে পড়া গাছ সরিয়ে নিলেও তবে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি বলে জানান চিকনদন্ডী ও দক্ষিণ মার্দাশা ইউপি চেয়ারম্যান যথাক্রমে হাসানুজ্জামান বাচ্ছু ও মোহাম্মদ সরোয়ার।












