ঝুঁকি নিয়েই মহাসড়কে সিএনজির চলাচল

দক্ষিণ চট্টগ্রাম

পটিয়া প্রতিনিধি | বৃহস্পতিবার , ১৪ জুলাই, ২০২২ at ৫:৫২ পূর্বাহ্ণ

নানা প্রতিকূলতা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই দক্ষিণ চট্টগ্রামে মহাসড়কে চলছে কয়েক হাজার সিএনজি টেক্সি। মধ্যবিত্ত পরিবারের শেষ ভরসা এই টেক্সিতে। বিকল্প নিরাপদ পরিবহন না থাকায় প্রাণের ঝুঁকি আছে জেনেও টেক্সি ব্যবহার করতে হচ্ছে তাদের।
সিএনজি টেক্সি তুলনামূলক ছোট ও হালকা যান হওয়ায় সামান্য দুর্ঘটনায় গাড়িগুলো দুমড়ে মুচড়ে যায়। যাত্রীরা প্রাণ হারানোর পাশাপাশি বিকলাঙ্গও হয়ে পড়ে। দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় যেসব সড়ক দুর্ঘটনা হচ্ছে তার বেশিরভাগই টেঙির। পটিয়া, কর্ণফুলী ও বোয়ালখালীর কিছু অংশ ছাড়া চন্দনাইশ, আনোয়ারা, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও বাঁশখালীতে গ্যাস সংযোগ নেই। এর ফলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এসব উপজেলার হাজারও সিএনজি টেঙি পটিয়া, কর্ণফুলী ও নগরীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে। প্রতিদিন হাজার হাজার সিএনজি টেঙি এসব উপজেলা থেকে মহাসড়ক হয়ে পটিয়া, কর্ণফুলী ও নগরীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গ্যাস রি-ফুয়েলিং করতে আসে। এসব টেঙির আসা-যাওয়ার সময় বিভিন্ন স্টেশন ও পথে যাত্রী ওঠানামা করে। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটে।
মো. শফিকুল ইসলাম নামে বেসরকারি সংস্থার এক চাকরিজীবী বলেন, মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সিএনজি টেঙি ছাড়া বিকল্প ও কম ভাড়ার পরিবহন নেই। প্রাণের ঝুঁকি আছে জেনেও বাধ্য হয়ে সিএনজি টেঙি ব্যবহার করতে হয়। পরিবার নিয়ে ২০-৩০ কিলোমিটার দূরত্বে কোনো আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে হলে একটি টেঙির আসা যাওয়ার ভাড়া ৬-৮শ টাকা। একই দূরত্বে একটি কার, হাইয়েচ বা নোহা নিতে হলে ভাড়া গুণতে হয় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা।
মো. মনির নামের এক টেঙি চালক বলেন, সিএনজি টেঙি ঝুকিপূর্ণ ও হালকা পরিবহন। গ্রামে এ গাড়ি চালালে গ্যাসের টাকাও যোগাড় হবে না। মহাসড়কে নিষিদ্ধ হলেও বাধ্য হয়ে তুলনামূলক কম দূরত্বের ভাড়াগুলো নিয়ে চলাচল করতে হয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমইজ্জ্যারটেকে তিন যুবককে ছুরিকাঘাত
পরবর্তী নিবন্ধখালে গোসল করতে নেমে দুই খালাতো ভাইয়ের মৃত্যু