ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির চেয়ে তার স্ত্রীর সম্পদ আড়াই গুণের বেশি। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনীত সম্ভাব্য প্রার্থী জোনায়েদ সাকির জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। হলফনামায় জোনায়েদ সাকি বলেছেন, তার পেশা ‘প্রকাশক’ এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৬ লাখ ৬২ হাজার ৬০২ টাকা। তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার পেশায় ‘শিক্ষক ও আলোকচিত্রী’ এবং সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২২ লাখ ৯৩ হাজার ৩০৪ টাকা। খবর বিডিনিউজের।
হলফনামায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নের তথ্য অনুযায়ী, জোনায়েদ সাকির বার্ষিক আয় সাত লাখ ৭২ হাজার ৯৩৬ টাকা। আয়ের উৎস হিসাবে ব্যবসা থেকে এক লাখ ২০ হাজার ১৪১ টাকা, সঞ্চয়পত্র থেকে ২ হাজার ৭৯৫ টাকা এবং পেশা থেকে ৬ লাখ ৫০ টাকা আয়ের তথ্য দিয়েছেন।
তার স্ত্রীর তাসলিমা আখতারের বার্ষিক আয় ২৩ লাখ ৯ হাজার ২১১ টাকা। এর মধ্যে বিভিন্ন স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া বাবদ ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ টাকা, সঞ্চয়পত্র থেকে তিন লাখ ১০ হাজার ৩৬৯ টাকা, অন্যান্য পেশা থেকে ছয় লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে আয় আট লাখ ২৮ হাজার টাকা।
এছাড়া স্থাবর সম্পদের হিসাবে জোনায়েদ সাকির নামে ১১ একর অকৃষি জমির তথ্য দেওয়া হয়েছে। তবে মূল্য লেখা হয়নি। এছাড়া বেস্টওয়ে নেশন ওয়াইড হাউজিং লিমিটেডে তিনি তিন লাখ ২০ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দিয়েছেন। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ কৃষিজমি, যার মূল্য ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া ৩ হাজার ২৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট ও ১৬৭ বর্গফুটের একটি দোকান রয়েছে, যার মূল্য ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৯৩৪ টাকা।
২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, জোনায়েদ সাকি আয়কর দিয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৪০ টাকা ও তার স্ত্রী আয়কর দিয়েছেন ২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৪৮ টাকা। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী জুনায়েদ সাকির জন্ম ১৯৭৩ সালে ৯ ডিসেম্বর। স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ ইউনিয়নের চরলহনিয়া গ্রাম। তিনি স্নাতক পাস। কখনই তিনি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হননি বলেও হলফনামায় জানিয়েছেন।












