জেতার আকাঙ্ক্ষা না থাকলে সে ক্রিকেট না খেলাই ভালো বললেন মোমিনুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক | বুধবার , ২১ এপ্রিল, ২০২১ at ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ

টেস্ট ক্রিকেটের অভিজাত অঙ্গনে ২১ বছর পেরিয়ে গেছে বাংলাদেশের। কিন্তু এখনো কাঙ্খিত জায়গায় পৌঁছতে পারেনি টাইগাররা। গত দুই বছরের পারফরম্যান্সের দিকে তাকালে দেখা যাবে সাফল্যের গ্রাফটা ক্রমশ নিচের দিকে যাচ্ছে। বাংলাদেশ দল এখনও বলে আমরা শিখছি। ২০১৯ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নয় টেস্ট খেলে জয় মাত্র একটিতে। সেই জয়টাও গত বছরের মার্চে ঘরের মাঠে দুর্বল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। টেস্ট ক্রিকেটে এমনই নাজেহাল অবস্থায় দল। ২০১৭ সালে সর্বশেষ শ্রীলংকা সফরে একটি টেস্ট জিতে ফিরেছিল বাংলাদেশ। সেই শ্রীলংকায় আবার বাংলাদেশ। সেদিনের সে স্মৃতিই আশা জাগাচ্ছে আবার ।
তাছাড়া শ্রীলংকার কন্ডিশনও অনেকটা বাংলাদেশের মতো। সেখানে আলাদা করে খাপ খাওয়ানোর ঝামেলা নেই। মোমিনুল হক বলেন জিততে না চেয়ে শুধু অংশ নিতে আসলে ক্রিকেট না খেলাই ভালো। কাছাকাছি কন্ডিশন বলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী কি না জানতে চাইলে মোমিনুল বলেন আশার তো কোনো শেষ নেই। আশা তো সবসময় থাকতে হবে। আপনি এই জায়গায় এসেছেন শুধু অংশ নিতে, তাহলে তো হবে না। এই জায়গায় যদি শুধু অংশ নিতে আসেন তাহলে ক্রিকেট না খেলাই ভালো। যেখানেই যান কিংবা যত খারাপ পরিস্থিতি থাকুক অবশ্যই জেতার আশা থাকতে হবে। জেতহার স্পৃহা থাকতে হবে। এটা নিয়েই আমরা মাঠে নামব।
মোমিনুল জানান আমাদের দলের ব্যাটিং আর পেস বোলিং বিভাগ খুব গুরুত্বপূর্ণ। পাল্লেকেলের পিচে কিছুটা ঘাস আছে। তার মানে পেসারদের জন্য সাহায্য থাকবে। তাই হয়তো বাংলাদেশ দলের আক্রমণ পেস নির্ভরই হতে পারে। আমাদের পেসারদের প্রতিযোগিতাই বেশি হবে। আমার মনে হয় পেসাররাই এই ম্যাচে বড় ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের টেস্ট দল দেখলেও আন্দাজ করা যায়, কমপক্ষে তিন পেসার খেলানোর পরিকল্পনা টিম ম্যানেজম্যান্টের। ১৫ সদস্যের দলে পেসার আছেন চারজন। আবু জায়েদ রাহি, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন চৌ্‌ধুরী এবং শরিফুল ইসলাম। এর মধ্যে আবু জায়েদ রাহি, তাসকিন আহমেদ আর এবাদত হোসেন তিনজনই ডানহাতি হওয়ায় কম্বিনেশনের প্রয়োজনে বাঁহাতি শরিফুল ইসলামের অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা আছে যথেষ্ট।

পূর্ববর্তী নিবন্ধহাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মুরালিধরন
পরবর্তী নিবন্ধরাউল কাস্ত্রোর পদে ডিয়াজ ক্যানেল