বাচিক শিল্প চর্চা কেন্দ্র ‘তারুণ্যের উচ্ছ্বাস’ এর উদ্যোগে নগরীতে যাত্রা শুরু করেছে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস পাঠাগার। গতকাল ৯ জানুয়ারি বিকেলে নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ শিক্ষক ভবনে এ পাঠাগারের উদ্বোধনী আয়োজনে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস সভাপতি ভাগ্যধন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম ফিল্ম ইনিস্টিউটের পরিচালক শৈবাল বড়ুয়া, কবি ও খড়িমাটির প্রকাশক মনিরুল মনির এবং চিত্রশিল্পী কিংশুক দাশ চৌধুরী। উদ্বোধনী কথামালায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক ও চলচ্চিত্র চিন্তক শৈবাল চৌধুরী বলেন, বই না পড়লে ঘুম আসে না। মোবাইল ব্যবহার আমাদেরকে নিদ্রাহীন করে তুলেছে। দেখবেন আধা ঘণ্টা যে কোনো বই পড়েন ঘুম এসে যাবে। ভালো ঘুম হবে। বই পড়ার অভ্যাস আমাদেরকে সুশৃঙ্খল করে তুলবে। কবি ও সংগঠনের সভাপতি ভাগ্যধন বড়ুয়া বলেন, বইয়ের মধ্যে থাকি, ভাবনায় বই। বই না পড়লে ভালো লাগে না। বই সংগ্রহের আনন্দটা অপরিসীম। সংগ্রহ বাড়তে থাকে। এখন আর ঘরে জায়গা হয় না। ভাবি সংসার বেঁচে থাকে বইয়ে। তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের এই পাঠাগার আমাদেরকে সমৃদ্ধ করবে। কবি, সম্পাদক ও প্রকাশক মনিরুল মনির বলেন, জীবনের হতাশা, কষ্ট ও নিঃসঙ্গতায় বই মানুষের অপার বন্ধু। বইয়ের জন্য এমন একটা পরিসর ভাবা যায় যে, ঘরে ঘরে পাঠাভ্যাস ও চর্চায় জাগরণ উঠুক। প্রত্যেক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানে একটা পাঠাগার থাকা প্রয়োজন। বই পড়লে প্রজ্ঞা ও ধী শক্তি বাড়ে। উল্লেখ্য, হাজারের অধিক বিভিন্ন বিষয়ের বই নিয়ে শুরু হওয়া ‘তারুণ্যের উচ্ছ্বাস পাঠাগার’ শুরুতে শুধুমাত্র সংগঠনের সদস্যদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পর্যায়ক্রমে পরিধি বর্ধিত করার মাধ্যমে এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












