বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম জেলা দল। আগের খেলায় তারা বান্দরবান জেলাকে পরাজিত করেছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত খেলায় চট্টগ্রাম জেলা দল ২ উইকেটে মুন্সীগঞ্জ জেলা দলকে পরাজিত করে। এ জয়ের ফলে চট্টগ্রাম এক ম্যাচ হাতে রেখে দুই বছর পর প্রথম টায়ারে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। দুই বছর আগে চট্টগ্রাম চ্যাম্পিয়নশিপের টায়ার টু–তে নেমে গিয়েছিল।
গতকাল টসে জিতে মুন্সীগঞ্জ প্রথমে ব্যাট করতে নামে। তবে চট্টগ্রামের মো. রুবেল এবং সাজেদুল আলম রিফাতের বোলিং তোপে সুবিধা করতে পারেনি মুন্সীগঞ্জ। ২৯.১ ওভার ব্যাট করে ১১১ রানেই তারা অল আউট হয়ে যায়। দলের পক্ষে ওপেনার আশরাফ উদ্দিন ফয়েজ অর্ধশতক হাঁকান। ৯২ বল খেলে ৪টি চার এবং ২টি ছক্কায় তিনি সর্বোচ্চ ৫৩ রান সংগ্রহ করেন। অন্যদের মধ্যে তানভীর হোসেন তামিম ১৪,তানভীর হৃদয় ১৩ এবং সালাউদ্দিন শাকি ১১ রান করেন। বাকিদের কেউই দুই অংকের ঘরে যেতে পারেননি। চট্টগ্রামের মো. রুবেল ২০ রান দিয়ে ৫টি উইকেট তুলে নেন। এছাড়া সাজেদুল ৪১ রান দিয়ে ৪ উইকেট দখল করেন। শোয়েব পান ১টি উইকেট।
জবাব দিতে নেমে চট্টগ্রামও ধুঁকতে থাকে। ৩০.৩ ওভারে ১১২ রান তুলতে তারাও ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে। দলীয় ৫ রানের মাথায় উদ্বোধনী জুটি ভেঙ্গে যায় চট্টগ্রামের। ওপেনার কফিল উদ্দিন ৪ রান করে আসিফ হাসানের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। অপর ওপেনার সাদিকুল রহমান একদিকে ধরে খেলতে থাকেন। সাদিক ৩৩ বলে ৬ চারে ৩৩ রান করে আউট হয়ে যান। এরপর আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান এস এম তৌসিফ দৃঢ়তা দেখালেও অন্যরা তাকে যোগ্য সহযোগিতা দিতে ব্যর্থ হন। ফলে চট্টগ্রাম খুব দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে। বড় জুটি গড়া হয়নি তাদের। বাকিরা কেউই দুই অংকের ঘরেই যেতে পারেননি। দলীয় ১০২ রানে চট্টগ্রাম ৮ম উইকেট হারায়। এরপর তৌসিফ মহিউল ইসলামকে সাথে নিয়ে দলকে জয়ের দ্বারে নিয়ে যান। তৌসিফ ৮১ বল খেলে ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ৪টি চার হাঁকান তিনি। মহিউল ২ রানে অপরাজিত থাকেন। অতিরিক্ত থেকে জমা হয় মূল্যবান ১৬ রান।
মুন্সীগঞ্জের হয়ে আসিফ হাসান ২০ রান দিয়ে চট্টগ্রামের ৪ উইকেট তুলে নেন। তানভীর হোসেন তামিম ২৭ রান দিয়ে পান ২টি উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন নাইমুর রহমান নয়ন এবং আবদুল কাইয়ুম তুহিন। পরবর্র্তী ম্যাচে চট্টগ্রাম ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার মৌলভীবাজারের বিপক্ষে খেলবে।












