গত শুক্রবার জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে রাশিয়ার একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে, যা ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর থেকে প্রথম। খবর বাসসের।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি রাশিয়ার আন্তর্জাতিক মঞ্চে পুনঃপ্রবেশের জন্য বাড়তে থাকা প্রচেষ্টার ইঙ্গিত বহন করছে। রাশিয়ার উত্থাপিত খসড়াটি সাদামাটা মনে হয়েছে, যেখানে কেবল দেশগুলোকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি গৃহীত হওয়ার ৬০তম বার্ষিকী যথাযথভাবে উদযাপন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিষদের ৪৭টি সদস্যের মধ্যে ২৬টি দেশের সমর্থনে এবং কোনো বিপক্ষে ভোট না পড়ায় প্রস্তাবটি পাস হয়, তবে প্রধানত পশ্চিমা ২১টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। ২০২২ সালে ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর পরিষদ থেকে রাশিয়াকে স্থগিত করার পর, রাশিয়ার খসড়া করা কোনো প্রস্তাবের এটিই প্রথম পাস হল।
কাউন্সিল পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাশিয়ার প্রস্তাবনা এতটাই নিরপেক্ষ ছিল যে দেশগুলোর জন্য এর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। হিউম্যান রাইটস হাউস ফাউন্ডেশনের ডেভ এলসারোড ডেভ এলসেরোড এএফপিকে বলেন, রাশিয়ার এই প্রস্তাবনা চার বছর আগে যে সংস্থা থেকে তারা বহিষ্কৃত হয়েছিল, সেটিতে পুনঃসংযোগের জন্য একটি কৌশলগত প্রচেষ্টা। তিনি সতর্ক করে বলেন, যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষায় আগ্রহী, তাদের মানবাধিকার পরিষদে এবং সমগ্র বহুপাক্ষিক ব্যবস্থায় রাশিয়ার আরও আগ্রাসী মনোভাবের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। ভোটের আগে, রাশিয়ার প্রতিনিধি সকল দেশকে সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছিলেন, যাদের জন্য মানবাধিকার কেবল রাজনৈতিক স্লোগান নয়।












