জলের ঘুঙুর পরে রাত্রি নামার আগে
ফিরে যাওয়া পাতানো সংসার সংসার খেলাঘর
চাল, ডাল বাজারের দৈনন্দিন হিসাব শেষে বাকি পড়ে থাকে
নিত্য দিনকার খরচের ভাংতি পয়সার সম্পর্ক –
একমুঠো ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাতের থালায়
পড়ে আছে সাবেকী প্রণয়–
মাছের মুড়োর মতো পাতে শোভিত
অবেলার প্রেম যেন তোলে তৃপ্তির ঢেকুর;
শুধু ভুলে যাওয়া অনাদিকালের অভ্যাসের রীতিতে
স্রোতে ভেসে আসা অন্য একটি জীবন হালখাতা
লিখে যায় জীবন যাপনের বেহিসাবি কিতাব!
সংসার, ঘরদোর অগোছালো সময়ের
তেপান্তরের মাঠ– ঘোড় দৌড়ে জিতে যাওয়া সময় পরে
বিজয় তিলক আর পতনের কাল যেন বিশ্বাসঘাতক
বন্ধু –যার হাত রঞ্জিত!
বিড়বিড় করে কে যেন বলে, বড় দুঃসময়!
বড় দুঃসময়! কে ওখানে? ভ্রম এক, শুধুই মায়া!
কেউ কেউ কেন হয় অসময়ের যাত্রী,
পিছে ফেলে যায় কার পরচ্ছায়া?
জলের ঘুঙুর বাজে মরুতৃষা নিয়ে
বুকের গহীনে লেখা হয় সময়ের এপিটাফ।








