নৌপরিবহন উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, কক্সবাজারের কোন হোটেল–মোটেল নদী বা পরিবেশ দূষণ করলে জরিমানা না করে তা বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এখন থেকে সে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, দুই–চার লাখ টাকা জরিমানা দেয়া একটি হোটেলের জন্য কোনো ব্যাপার না। তাই জরিমানা দিয়ে দেদারসে পরিবেশ দূষণ করে যাচ্ছে হোটেলগুলো। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজার সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে ‘হাইকোর্টের আদেশ মোতাবেক বাঁকখালী নদী দখলমুক্তকরণের লক্ষ্যে বিশেষ সমন্বয় সভা’ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বাঁকখালী নদী দখলমুক্ত করণ প্রসঙ্গে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর দখলদারদের সমন্বিত তালিকা করে উচ্ছেদ করা হবে। সভায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দীনসহ জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদফতর ও বিভিন্ন দফতরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৪ আগস্ট কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালীর সীমানায় থাকা সব দখলদারের তালিকা তৈরি করে চার মাসের মধ্যে উচ্ছেদ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ওই নির্দেশনার এক সপ্তাহের মধ্যেই কক্সবাজার সফরে আসেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা।
ওই রায়ে বলা হয়, কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বাঁকখালী নদীর বর্তমান প্রবাহ এবং আরএস জরিপের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণপূর্বক নদীটিকে সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়া নদীর সীমানায় থাকা সব দখলদারের তালিকা তৈরি করে আগামী চার মাসের মধ্যে উচ্ছেদ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। এ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আদালতের রায় মতেই দখলদার উচ্ছেদ করা হবে।