বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলে রাষ্ট্রের সংস্কার স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, রাজনীতির ওপর জনগণের আস্থা কম, এটা সত্য। এই আস্থা ফেরাতে হবে রাজনীতিবিদদেরই। এটা করতে হবে জবাবদিহিতার মাধ্যমে। তাই আগামীর বাংলাদেশে যারা জবাবদিহিতা ও জন–আকাঙ্ক্ষার বিষয়কে ধারণ করতে পারবেন না, তাদের কোনো রাজনৈতিক ভবিষ্যত থাকবে না। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলে সংস্কার স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়ে যাবে। খবর বাসসের।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক নাগরিক প্ল্যাটফর্মের এক সংলাপে তিনি এসব বলেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, রাজনীতিবিদরা অনেক কথা বলেন, কিন্তু জবাবদিহিতা গুরুত্বপূর্ণ। দেশে অনির্বাচিত সরকার ছিল, এখনো আছে। সংসদীয় সরকার পাইনি। সংসদে গেলে একটা জবাবদিহিতার জায়গা তৈরি হয়। এমনকি সংসদের বাহিরে সুশীল সমাজ, এনজিও–তাদের কাছেও জবাবদিহিতা আছে। সুশীল অংশীজনদের মাধ্যমে কীভাবে জবাবদিহিতা করা হবে সেটা নিয়েও ভাবছে বিএনপি।
গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সুশীল সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, সুশীল সমাজকে কাজ করতে না দিলে স্বৈরাচারের জন্ম হয়। কোনো সরকার একা কোনো সমাধান দিতে পারে না। বাস্তবায়নে অংশীদারিত্বের বিষয় আছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ, এনজিও্ত সবাইকে নিয়েই সমস্যার সমাধান করবে। আমীর খসরু বলেন, রাজনীতিবিদদের ওপর কেন যেন জনগণ আস্থা পায় না। তাদের বিশ্বাস করতে চাচ্ছে না, এটা সত্য কথা। এজন্য আমরা একটি ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেছি। সেটা হলো–আমরা অনেকগুলো সেমিনার করছি এসব বিষয়ের ওপর। সেখানে কমপক্ষে এক ঘণ্টা আমরা প্রশ্নোত্তর পর্ব রেখেছি। আমরা বক্তৃতা দিয়ে বাড়ি চলে যাই, সবাই শোনে। এখান থেকে কে, কী, কতটুকু গ্রহণ করলেন কিংবা করলেন না, আমরা জানতে পারলাম না। এজন্য প্রত্যেকটি আলোচনায় আমরা অন্তত এক ঘণ্টা প্রশ্নোত্তর পর্ব রাখছি। যেন রাজনীতিবিদদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত থাকে।












