জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না

মহানগর বিএনপির ইফতার মাহফিলে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

আজাদী প্রতিবেদন | শনিবার , ৭ মার্চ, ২০২৬ at ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, বিপুল জনরায় নিয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ও জানমালের নিরাপত্তা বিধানে দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। তিনি বলেন, সমাজের অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেপ্তারে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই নীতিতে সরকার স্থির আছে ও ভবিষ্যতেও থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগরের জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। উপস্থিত ছিলেন সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মীর হেলাল বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে বিএনপির নেতা কর্মীরা যে জীবনবাজি রেখে রাজপথে সংগ্রাম করেছেন তা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এখন দেশ গড়ার পালা। করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ; প্রধানমন্ত্রীর এই স্লোগানকে সামনে রেখে সকল প্রকার অপরাধী দমন করে শান্তি ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে দলীয় নেতাকর্মীসহ সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

আবু সুফিয়ান বলেন, গত ১৬ দিনে সরকারের কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ সন্তুষ্ট। যে লক্ষ্য নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিবাদীদের বিদায় করেছি ইনশাআল্লাহ তারেক রহমানের নেতৃত্বে সে লক্ষ্য অর্জিত হবে।

আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীরাসহ সকলে মিলেমিশে দেশের মানুষের জন্য একটি শান্তি ও নিরাপদ আবাসভূমি গড়ে তুলতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, অচিরেই জাতি একটি নতুন বাংলাদেশ দেখবে ইনশাআল্লাহ।

ইফতার মাহফিলে নগরের ১৫টি থানা ও ৪১টি ওয়ার্ড হতে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতকর্মী, আইনজীবী, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিকসহ নানান শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন। ইফতারের আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকোসহ বিগত আন্দোলনে নিহত নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য মোনাজাত করা হয়।

ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব সামশুল আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব ইদ্রিছ মিয়া, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, এস এম সাইফুল আলম, সৈয়দ আজম উদ্দিন, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, আরইউ চৌধুরী শাহিন, শওকত আজম খাজা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, শিহাব উদ্দিন মুবিন, উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হাসান আলী।

পূর্ববর্তী নিবন্ধহাটহাজারীতে সাবেক শিবির সভাপতি সালাউদ্দীন গ্রেপ্তার
পরবর্তী নিবন্ধমাদকদ্রব্যসহ গ্রেপ্তার ৩৭