জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আবুল হাশেম বক্কর

আজাদী প্রতিবেদন | সোমবার , ২৩ মার্চ, ২০২৬ at ৭:৩৯ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের সামনে যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তা পূরণের লক্ষ্যে দেশ ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে। প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগের বিনিময়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। এখন মানুষ কমপক্ষে নির্ভয়ে কথা বলতে পারছে। অন্তত এইটুকু নিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে যে, মন খুলে কথা বললে এখন আর গুম বা খুনের শিকার হতে হবে না। গঠনমূলক সমালোচনা করার পরও কেউ রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না, এটিই নতুন বাংলাদেশের বড় অর্জন। এখন জনগণের অধিকার রক্ষাই বিএনপির মূল প্রতিশ্রুতি। একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণই বিএনপির লক্ষ্য। নতুন গণতন্ত্রের যে পথচলা শুরু হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করতে হবে।

তিনি রবিবার বিকেলে নগরীর কাজীর দেউরী ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিএনপি নেতাকর্মী ও চট্টগ্রামবাসীর সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রায় চার হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য পরটা, গরুর মাংস ও চনার ডাল আর সনাতন সম্প্রদা‌য়ের জন্য খা‌সির মাংস, মুগ ডাল, পরটার আয়োজন করেন আবুল হাশেম বক্কর। ফিন্নি, জর্দাভাতসহ নানা মুখরোচক খাবারের মাধ্যমে আতিথেয়তা গ্রহণ করেন অতিথিরা। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের সাথে তিনি ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেন।

এছাড়া তিনি শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন জাতীয় মসজিদ জমিয়াতুল ফালাহতে চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও নাগরিকদের সাথে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।

ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে আগত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই একতা। আজকের এই মিলনমেলা প্রমাণ করে যে বিএনপির শিকড় জনগণের হৃদয়ে কতটা গভীরে। এই আয়োজন আমাদের মাঝে রাজনৈতিক ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করবে। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তৃণমূল পর্যায় থেকে দলকে সুসংগঠিত করার কোনো বিকল্প নেই। দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে হলে ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, জাতীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, সাঈদ আল নোমান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শামসুল আলম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, সন্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, সৈয়দ আজম উদ্দিন, কাজী বেলাল উদ্দিন, সফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাবেক সহ সভাপতি নাজিম উদ্দীন আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মান্নান, মন্জুর আলম মন্জু, উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, মহানগর বিএনপির সদস্য জয়নাল আবেদীন জিয়া, এম এ হান্নান, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, আবুল হাসেম, ইসকান্দর মির্জা, মুজিবুল হক, মো. মহসিন, মো. সালাউদ্দিন, গাজী সিরাজ উল্লাহ, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, জাফর আহম্মদ, একে খান, গাজী আইয়ুব, আবু মুসা, দৈনিক দিনকাল পত্রিকার চট্টগ্রাম অফিস প্রধান হাসান মুকুল, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় ক‌মি‌টির কার্যকরী সভাপ‌তি লায়ন আর কে দাশ রুপু, কার্যকরী সাধারন সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ, সাংবাদিক মো. আলী, ড্যাব নেতা ডা. ঈসা চৌধুরী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জমির উদ্দিন নাহিদ, মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হো‌সেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, রেলওয়ে শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এম আর মন্জুর, তাতীদলের আহবায়ক সেলিম হাফেজ, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মুরাদ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান পদে নূরুজ্জামানকে নিয়োগ
পরবর্তী নিবন্ধটেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত দিয়ে আবারও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ