সাত লেখকের ছড়া পাঠ ও আলোচনা শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, একসময় বাংলা ছড়া কাজ করেছে প্রধানত শিশুরঞ্জনী হিসেবে। নির্মল সাহিত্য–রস পরিবেশনের পাশাপাশি শিশুদের নৈতিক শিক্ষাদানের প্রতি সে সময় বিশেষ সচেতনতা ছিলো। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে বাংলা ছড়া আধুনিক রূপে–গন্ধে পূর্ণতা লাভ করেছে। ছড়ার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। আজকালের ছড়ার চেহারায় আলাদা সৌন্দর্য এসেছে, ছড়াকে শুধু শিশুতোষ ভাবার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়েছে, বক্তব্যের বলিষ্ঠতা এসেছে। ছড়া মেটাচ্ছে সময়ের দাবি। তাঁরা বলেন, ছড়ার উৎস হচ্ছে মানুষ। তার শেকড় সাধারণ মানুষের মনের মধ্যেই প্রোথিত।
চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুরনাহার মিলনায়তনে শৈলী প্রকাশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন শিশুসাহিত্যিক গবেষক আহমেদ জসিম ও প্রাবন্ধিক ছড়াশিল্পী কলামিস্ট এমরান চৌধুরী। সাহিত্যিক রাশেদ রউফের সভাপতিত্বে ছড়া পাঠ করেন ছড়াসাহিত্যিক সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার, মর্জিনা আখতার, কেশব জিপসী, বাসুদেব খাস্তগীর, গোফরান উদ্দীন টিটু, শওকত আলী সুজন এবং ফারজানা রহমান শিমু। তাঁদের ছড়া আবৃত্তি করেন বাচিক শিল্পী দেবাশীষ রুদ্র, সুবর্ণা চৌধুরী, সৌভিক চৌধুরী, ঊর্মি বড়ুয়া, মোহিনী সংগীতা সিংহ, তহুরা পিংকি এবং লিপি তালুকদার। স্বাগত বক্তব্য দেন, শৈলী সাহিত্য বুলেটিনের সম্পাদক আজিজ রাহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ তরুণ কান্তি বড়ুয়া। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












