অভিনব প্রতারণা, জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ এবং চেক দিয়ে নতুন করে প্রতারণার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় জামিলের বিরুদ্ধে আবারো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এর আগে প্রতারণার মামলায় তাকে বিদেশ যাওয়ার প্রাক্কালে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বেশ কিছুদিন কারাভোগের পর সে জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মসাৎকৃত অর্থ কিস্তিতে ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব করে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সে দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেকের নামে ২৯ লাখ ৪৭ হাজার ৫শ টাকার একটি চেক প্রদান করে। নির্দিষ্ট দিনে চেকটি নগদায়নের জন্য পাঠালে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সেটি ডিজঅনার করে। এরপরও জামিলকে নানাভাবে টাকা পরিশোধের কথা বলা হলেও সে চেকটি নগদায়ন করেনি। অবশেষে চেক প্রতারণার অভিযোগে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে মামলা রুজু করা হলে আদালত জামিলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দারি করে।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব জানান, এস এম জামিল উদ্দিন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল মালেকের শেয়ার হিসাবের (বিও একাউন্ট) বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করে। পরবর্তীতে সে টাকা ফেরত দেবে মর্মে লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেও কালক্ষেপণ করতে থাকে। আপোসে টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা (নং ০৯(০৭) ২০২১) রুজু করা হয়।
কোতোয়ালী থানার ওই মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ গত বছরের জানুয়ারি মাসে আসামি এস এম জামিল উদ্দিনকে ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে গ্রেপ্তার করে। জামিল রাউজানের উরকিরচরের মইশকরম এলাকার তোফাজ্জল মুন্সি বাড়ির এস এম কামাল উদ্দিনের পুত্র। বর্তমান তারা নগরীর খুলশী থানাধীন নাসিরাবাদ প্রপার্টিজের জেনুর টাওয়ারে (৫ম তলা) বসবাস করে।
এম এ মালেকের বিও একাউন্টের আত্মসাৎকৃত অর্থ থেকে পরিশোধের জন্য জামিল ২৯ লাখ ৪৭ হাজার ৫শ টাকার চেক প্রদান করে। প্রায় তিন মাস আগে ওই চেক নগদায়নের কথা থাকলেও সে চেকটি নগদায়ন করেনি। নানাভাবে তাকে টাকা পরিশোধের জন্য বলা হলেও সে তালবাহানা করতে থাকে। প্রায় তিন মাস নানাভাবে চেষ্টা করেও চেকটি নগদায়নের ব্যবস্থা না করায় অবশেষে তার বিরুদ্ধে চেক প্রতারণার মামলা করা হয়। ওই মামলায় চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম–১ এর আদালত জামিলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।








