দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে প্রধান খাদ্য শস্য চাল ও গম আমদানিতে ন্যূনতম মার্জিনে ঋণপত্র (এলসি) খোলার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ন্যূনতম মার্জিন কত হবে তা গ্রাহক-ব্যাংকের সম্পর্কের ওপর নির্ভর করবে জানিয়ে গতকাল বুধবার এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। খবর বিডিনিউজের।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, সমপ্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় খাদ্যশস্যের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি পরিলক্ষিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিও খাদ্যশস্যের মূল্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের প্রধান খাদ্যশস্য চাল ও গমের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অব্যাহত রাখা আবশ্যক।
এজন্য এমন নির্দেশনা দেওয়ার কথা সার্কুলারে তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে রোজা উপলক্ষে আবশ্যকীয় আট ভোগ্যপণ্য ‘বাকি’তে আমদানির সুবিধা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ডলারের রিজার্ভে টান পড়ায় গত এপ্রিল থেকে আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করে চলছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আবশ্যকীয় ও বিলাসী পণ্য ছাড়া অন্য সব পণ্যের আমদানিতে এলসি খোলায় ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। বিলাসী পণ্যের ক্ষেত্রে এ হার ১০০ শতাংশ। ১০০ শতাংশ ও ৭৫ শতাংশ নগদ মার্জিনে আমদানি করতে চাওয়া পণ্যের এলসির বিপরীতে প্রয়োজনীয় মার্জিন গ্রাহকের নিজস্ব উৎস থেকে সংগ্রহ করার নির্দেশনাও দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ, এসব পণ্য আমদানিতে ব্যাংক কোনো প্রকার অর্থায়ন করতে পারবে না- এমন নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে।