ঢাকা–চট্টগ্রাম–কক্সবাজার এবং ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটের চারটি আন্তঃনগর ট্রেনে প্রথমবারের মতো আজ থেকে কেবিন সুবিধা চালু হচ্ছে। ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটের বিরতিহীন ট্রেন সুবর্ণ, সোনার বাংলা, কক্সবাজার রুটের কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে আজ থেকে যাত্রীরা পরিবার–পরিজন নিয়ে কেবিনে করে ভ্রমণ করতে পারবেন। অপরদিকে আজ থেকে ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটের গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেন মহানগর গোধূলী ও তুর্ণা এক্সপ্রেসে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আনা নতুন বগি যুক্ত হচ্ছে। রেলওয়ের মেকানিক্যাল ও পরিবহন বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, কেবিন সুবিধাযুক্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে পরিবার–পরিজন নিয়ে যাত্রীদের ভ্রমণ আরও নিরাপদ, আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। এই ব্যাপারে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী তাপস কুমার দাস আজাদীকে বলেন, ১ জুন (আজ) থেকে ঢাকা–চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটের কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস এবং ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটের সুবর্ণ ও সোনার বাংলা এক্সপ্রেসে কেবিন কোচ যুক্ত হচ্ছে। একই সাথে মহানগর গোধূলী ও তূর্ণা এক্সপ্রেস দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আমদানিকৃত নতুন রেকে প্রতিস্থাপন করা হবে। ঢাকা থেকে সকালে প্রভাতী হয়ে ছেড়ে আসা ট্রেনটি চট্টগ্রাম পৌঁছার পর বিকালে গোধূলী হয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ডিআরএমএর দপ্তরের পরিবহন বিভাগ থেকে জানা গেছে, ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটের বিরতিহীন ট্রেন সুবর্ণ এক্সপ্রেস এবং সোনার বাংলা এক্সপ্রেসে ৩টি করে এসি কেবিন এবং ১টি করে নন এসি কেবিন যুক্ত হবে আজ।
এদিকে ঢাকা–চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটের কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসেও প্রথমবারের মতো কেবিন যুক্ত হচ্ছে। দুটি ট্রেনেই ৩টি করে কোরিয়ান এসি কেবিন যুক্ত হবে। এতে ট্রেনে চড়ে পর্যটননগরী কক্সবাজার যাওয়া যাবে শুয়ে শুয়েই। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুবর্ণ ও সোনার বাংলা ১৮টি রেক নিয়ে চলবে আজ থেকে। এর মধ্যে ৬টি শোভন চেয়ার, ৫টি এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা), ৪টি কেবিন, ২টি গার্ডব্রেক ও খাবার গাড়ি এবং ১টি পাওয়ার কার রয়েছে। কেবিনের ১৩২টিসহ দুটি ট্রেনেরই মোট আসন সংখ্যা রাখা হয়েছে ৭৯৭টি।