বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামের প্রতীক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিরা এখনো গ্রেফতার না হওয়া এবং পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট সরকারের আদলে পরিকল্পিত সন্ত্রাস সৃষ্টি করে হত্যাকাণ্ডকে ধামাচাপা দেয়ার অপতৎপরতায় মানুষ উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে শহীদ হাদির খুনিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং সামগ্রিক জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে।
শনিবার (রাত ৭ টায়) চান্দগাঁও থানা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক দায়িত্বশীল শিক্ষা বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চান্দগাঁও থানা আমীর মুহাম্মদ ইসমাইলের সভাপতিত্বে উক্ত বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার।
প্রধান অতিথি বলেন, যেভাবে নতুন নতুন ইস্যুর জন্ম দিয়ে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে তাতে ২০০৮ সালের আদলে ডিজিটাল কারচুপির নির্বাচনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাই, ভোট গণনা কক্ষসহ নির্বাচনী কার্যক্রমের শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। নতুন রাষ্ট্র কাঠামো বিনির্মাণে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে “হ্যাঁ” জয়যুক্ত করতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে সরকারসহ সকল রাজনৈতিক দলকে ভূমিকা পালন করতে হবে। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম ১১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. আবু নাছের, চান্দগাঁও থানা নায়েবে আমীর, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন, থানা সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, থানা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ ওমর গণি ও আজাদ চৌধুরী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












