সময়ের একটা ব্র্যান্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে চাকরির পরীক্ষা, যা বাণিজ্যে রূপান্তরিত হয়ে নীরবঘাতক হিসেবে চাকরি প্রত্যাশীদের গিলে খাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ আজ মুখোমুখি হচ্ছে এক ভয়ঙ্কর নীরব সংকটের, যা আমাদের দেশের অগ্রগতিকে পিছিয়ে দিচ্ছে। একদিকে যেমন হয়রানির শিকার হচ্ছে, অন্যদিকে সময়, শ্রম,অর্থ নষ্ট হচ্ছে। চাকরির আসন সংখ্যা খুবই সীমিত, অথচ প্রার্থীর আবেদনে যেন হিড়িক নামে। যোগ্যতার জায়গায় সম্পর্ক–ভিত্তিক নিয়োগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দুর্নীতি তরুণদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করছে। অথচ ঝরে যায় মেধা, কর্মঠ ও যোগ্য প্রার্থীরা। ফলে উপায় না পেয়ে দেশের কাছে প্রশ্ন রেখে আত্মহত্যা কিংবা খারাপ কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িত করে নেই। ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর আনুমানিক ১০,০০০ দক্ষ পেশাজীবী স্থায়ীভাবে বিদেশে চলে যাচ্ছে। আমাদের দেশ মেধা পাচারকারী দেশের মধ্যে শীর্ষ ২০ রয়েছে। কবে হয়রানি থেকে রেহাই পাবে তরুণ প্রজন্ম, দেশ কবে বুঝবে এই নীরবঘাতকের মর্মার্থ।
মুহিবুল হাসান রাফি
চট্টগ্রাম।










