দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন বাংলা সিনেমার সোনালী যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ। গতকাল বুধবার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বলেন, জাভেদ ভাই দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় নায়ক ইলিয়াস জাভেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানীর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরে বায়তুল জামান জামে মসজিদে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ আসর এফডিসিতে প্রথম জানাজা শেষে জাভেদকে শেষ শ্রদ্ধা জানান শিল্পী–সহকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা।
ষাটের দশকে নৃত্য পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন জাভেদ। তার চলচ্চিত্রে প্রথম নৃত্য পরিচালনা ছিল কায়সার পাশার পরিচালনায় উর্দু সিনেমা ‘মালান’ এ। উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে অভিষেক জাভেদের। ১৯৬৪ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি।
তবে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে ১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘পায়েল’ সিনেমার মাধ্যমে। সিনেমাটিতে তার নায়িকা ছিলেন শাবানা। অভিনয় জীবনে প্রায় দুই শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন জাভেদ। নব্বই দশক পর্যন্ত সুবর্ণ সময় কাটিয়েছেন সিনেমায়।
নায়ক জাভেদ অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে– মালকা বানু, অনেক দিন আগে, শাহজাদী, নিশান, রাজকুমারী চন্দ্রভান, কাজল রেখা, সাহেব বিবি গোলাম, নরম গরম, তিন বাহাদুর, চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা, আজো ভুলিনি, চোরের রাজা ও জালিম রাজকন্যা। আফগানিস্তানের পেশোয়ারে ১৯৪৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পরে সেখান থেকে পাঞ্জাবে আসে তার পরিবার। ১৯৬৩ সালে পাঞ্জাবে ছেড়ে বাংলাদেশে আসেন তারা।











