প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকালে তার গুলশানের বাসা থেকে বের হবেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে এলে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা স্যালুট দিলেন। প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করে কর্মকর্তাদের বললেন, ‘কেমন আছেন আপনারা। চলেন যুদ্ধে যাই।’ তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, গতকাল রোববার সকালে গুলশান এভিনিউয়ের বাসা থেকে বের হওয়ার সময় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই আলাপচারিতা হয়। রুমন বলেন, সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুলশানের বাসা থেকে বের হন। সচিবালয়ের পৌঁছান ৯টা ১৬ মিনিটে। প্রধানমন্ত্রী আজ বাসা থেকে বের হওয়ার সময় কথা বলতে বলতে নিজের গাড়িতে ওঠেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন সকাল সকাল অফিসে আসছেন। ছুটির দিন শনিবারও তিনি অফিস করছেন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, সচিবসহ কর্মকর্তারাও যাতে সকালে অফিসে আসেন, সেই তাগাদা দিচ্ছেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।
রুমন বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, নানা সমস্যা থেকে উত্তরণে দিনরাত প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে, অর্থাৎ দেশ পুনর্গঠনের এই অভিযাত্রাকে প্রকাশ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘চলেন, যুদ্ধে যাই’। দেশ গড়ার যুদ্ধে যাওয়ার কথা তিনি বলেছেন। শনিবার ছুটির দিনে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেছেন তারেক রহমান। সপ্তাহের বাকি দিনগুলো সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে তিনি অফিস করছেন। অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে অফিস করছেন যাতে মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী–সচিবদের দ্রুত ডাকলে পাওয়া যায়। কারণ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী অফিস করলে কোনো মন্ত্রী বা কর্মকর্তাকে প্রয়োজন হলে সচিবালয় থেকে তাদের যেতে যেমন বিলম্ব হয়, তেমনি তারা যখন ভিআইপি প্রটোকল নিয়ে তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে যান, তখন যানজটেরও সৃষ্টি । এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়ে। এই অবস্থার পরিবর্তন আনতে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে অফিস করছেন, যাতে সরকারি কাজের গতি বাড়ে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। পরদিন সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে অফিস করেন তিনি। অফিসে এসে প্রধানমন্ত্রী খোঁজ–খবর নেন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী–সচিবরা কারা কারা এসেছেন। প্রথম দিনে অনেক মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী–সচিবদের ওই সময়ে পাওয়া যায়নি।











