চন্দনাইশে সাড়ে ১০ লাখ টাকা ও মাইক্রোসহ আটক ২

চন্দনাইশ প্রতিনিধি | বৃহস্পতিবার , ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ

চন্দনাইশে নগদ ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও মাইক্রোবাসসহ ২ জনকে আটক করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আবদুল বারিহাট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। চন্দনাইশ আর্মি ক্যাম্প ও বিজিবির একটি টহল দল চেকপোস্টে তল্লাশিকালে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাড. মো. মিজানুল হক চৌধুরীর ম্যানেজার সাতকানিয়ার ধর্মপুর ইউনিয়নের চাদেরপাড়া এলাকার আবদুল খালেকের ছেলে মো. এমরান (৪৮) এবং ম্যানেজারের সুপার ভাইজার একই উপজেলার পুরানগড় ইউনয়নের মনেয়াবাদ গ্রামের আবুল বশরের ছেলে মো. এনামুল হক (৪৯)

চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইলিয়াছ খাঁন জানান, রাতে টাকাসহ একটি নোয়া মাইক্রোবাস থানায় দেয়া হয়। উদ্ধারকৃত টাকাগুলো ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাড. মিজানুল হক চৌধুরীর বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে তিনি থানায় ব্যাখ্যা দিলেও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল যা সিদ্ধান্ত দিবেন সে অনুযায়ী পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে জানতে ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাড. মিজানুল হক চৌধুরীর মোবাইলে বার বার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এদিকে গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার বরমা এলাকায় টাকা বিতরণ ও মোটর সাইকেল ব্যবহারের অভিযোগে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দীন (৫০)কে স্থানীয় জনতা আটক করে। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা হয়। এসময় তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে মুচলেখা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে চন্দনাইশ আর্মি ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়।

চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেন জানান, ভোটাদের মধ্যে টাকা বিতরণের খবর পেলেই টহলরত পেট্রোল টিম ও সেনাবাহিনী তৎক্ষনাৎ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এব্যাপারে প্রশাসন সজাগ রয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামে চার স্তরের নিরাপত্তা
পরবর্তী নিবন্ধভোট দেবেন কীভাবে?