চন্দনাইশে বাক্ প্রতিবন্ধী গৃহবধূ সালমা আকতার হত্যার ঘটনায় স্বামী নুরুল হুদা পারভেজকে আসামি করে চন্দনাইশ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নুরুল হুদার বড় ভাই এনামুল হক বাদী হয়ে নিজের ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে এ হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার সকালে আসামি নুরুল হুদাকে আদালতে চালান দিয়েছে। এদিকে নিহত সালমার ভাসুর আবুল কালাম তার ১২ দিনের শিশুর দায়িত্ব নিয়েছে এবং বড় মেয়ে নুর জাহানের (৪) দায়িত্ব নিয়েছেন শাশুড়ী গুলতাজ খাতুন।
উল্লেখ্য, দোহাজারী জামিজুরী ৬ নং ওয়ার্ডের ইসহাক মিয়ার ছেলে নুরুল হুদা পারভেজ ৫ থেকে ৬ বছর পূর্বে বাক প্রতিবন্ধী সালমা আকতারকে বাড়িতে নিয়ে এসে সংসার শুরু করেন। প্রায় সময় তিনি স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতন করতেন। তাদের সংসারে জন্ম নেয় ৪টি কন্যা সন্তান। ৪ কন্যা সন্তান থেকে ২য় ও ৩য় সন্তানকে নুরুল হুদা ইতোমধ্যে বিক্রি করে দেন। সর্বশেষ গত ১২ দিন আগে তার ৪র্থ কন্যা সন্তান জন্ম নিলে শিশুটিকেও বিক্রি করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় এবং বাক্ প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতন করে। ঘটনারদিন গত রবিবার রাতেও মারধরের এক পর্যায়ে সালমা মারা গেলে সকালে নুরুল হুদা পারভেজ বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। ওইদিন সন্ধ্যায় তাকে দোহাজারী স্টেশন রোড এলাকায় স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে দেয়।
চন্দনাইশ থানার ওসি মো. ইলিয়াছ খান জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুরুল হুদা পারভেজ পুলিশকে জানায়–ঘটনারদিন ভোরে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। তার স্ত্রী মারা যাওয়ার বিষয়টি তার জানা ছিল না। এ ঘটনায় নুরুল হুদাকে রিমান্ডে নিয়ে ঘটনার ব্যাপারে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান ওসি।












