চন্দনাইশ পৌরসভার উত্তর গাছবাড়িয়া এলাকায় গরু লুটে বাধা দেওয়ায় চন্দন দে (৭০) হত্যার ঘটনায় আরও দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রোববার রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. রুবেল ও নাসির উদ্দীন। এর আগে গত শনিবার দুপুরে চকরিয়ার নয়াপাড়া এলাকা থেকে নাসির উদ্দীন নামে আরেক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে এই মামলায় মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে চন্দনাইশ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের বদুরপাড়া হিন্দুপাড়ায় একদল সশস্ত্র ডাকাত হানা দেয়। ডাকাতেরা প্রথমে নিতু দে’র গোয়ালঘরের তালা কেটে দুটি গরু একটি সাদা মাইক্রোবাসে তোলে। এরপর তারা চন্দন দে’র গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু বের করার সময় তিনি টের পেয়ে বাধা দেন। এ সময় ডাকাতদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তারা চন্দন দে–কে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন তিনি। গুলির শব্দ ও চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ডাকাতেরা দুটি গরু ফেলে একটি গরু নিয়ে মাইক্রোবাসে করে পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় চন্দন দে’কে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াছ খাঁন জানান, ঘটনার পর ডাকাতেরা যে পথ দিয়ে পালিয়েছে, সেই পথের প্রায় দেড়শ সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেছে পুলিশ। এতে ঘটনার মূল নায়ক হিসেবে রুবেলকে শনাক্ত করা হয়, যে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে ডিবিসহ পুলিশের একাধিক সংস্থা কাজ করছে বলেও তিনি জানান।









