চট্টগ্রামে-২ ফটিকছড়ি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তন্মধ্যে ৬ জনই জামানত হারাচ্ছেন।
এ আসনে বিপুল ভোটের বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর (ধানের শীর্ষ)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে প্রার্থী নুরুল আমিন (দাঁড়িপাল্লা)। অন্য যে ৬জন প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন তারা হলেন- সুন্নিজোট মনোনীত বিএসপির চেয়ারম্যান একতারা প্রতীকের শাহাজাদা সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারি (১২৪১৫ ভোট), ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মোহাম্মদ জুলফিকার আলি মান্নান (২১৬৯ ভোট), জনতার দলের কলম প্রতীকের গোলাম নওশের (৩৮০ ভোট), গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক প্রতীকের রবিউল হাসান (২৫১ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের আহমদ কবির করিম ২৬২ (ভোট) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হরিণ প্রতীকের জিন্নাত আকতার (২৭০ ভোট)। তারা কেউই এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পাননি। গত বৃহস্পতিবার রাতে এ আসনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৭ এবং ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে বা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
চট্টগ্রাম-২ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৭ জন। এ আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৫২ বা ৪৬ দশমিক শূন্য ৪৯ শতাংশ। সে হিসাবে এ আসনে সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট হবে ২৭ হাজার ৫৬–এর আশপাশে।
জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন- আইনের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ ভোট না পেলে প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয় এবং ওই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়। ফটিকছড়ির ৬জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।











