চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালসহ যে ১১ প্রতিষ্ঠানে দান করলে মিলবে আয়করে ছাড়

| সোমবার , ১৫ জুন, ২০২৬ at ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ

জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও ১১ প্রতিষ্ঠানে দান করলে সে অর্থের ওপর কোনো আয়কর দিতে হবে না ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাকে। শেষ হতে যাওয়া অর্থবছরে ৯ প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিলে তাতে করছাড় মিলেছে। খবর বিডিনিউজের।

নতুন ১১ প্রতিষ্ঠান হচ্ছেব্র্যাক, বাংলাদেশ ক্যানসার এইড ট্রাস্ট, এএসএইচআইসি, ফাউন্ডেশন ফর চিলড্রেন ক্যানসার, আলমারকাজুল ইসলামী, ডিজেবলড চাইল্ড ফাউন্ডেশন (ডিসিএফ), শেরপুর ডায়াবেটিক সমিতি, মাওনা ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি, অটিজম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন ঢাকা এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার আগামী ২০২৬২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। বাজেট বক্তৃতায় তিনি এ বিষয়ে সামান্য আভাস দিলেও বিস্তারিত তুলে ধরেননি। তিনি ১১টি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কর রেয়াতের কথা বলেন তবে সেগুলোর নাম বলেননি।

মন্ত্রী বলেন, ‘করদাতাদের দাতব্য ও জনকল্যাণমূলক কাজে দান করাকে উৎসাহ প্রদান করতে কর রেয়াত প্রদানের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য, প্রতিবন্ধী সেবা, ক্যান্সার, অটিজম, ডায়াবেটিস, থ্যালাসেমিয়া ও সামাজিক কল্যাণে নিয়োজিত ১১টি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের তালিকা অনুমোদনের প্রস্তাব করা হয়েছে।’ পরে গত শনিবার এগুলোর নাম প্রকাশ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)

এতে বলা হয়, আয়কর আইনের ষষ্ঠ তফসিলে সংশোধন আনা হয়েছে। এ অংশটি প্রফিডেন্ড ফান্ড, পরিবারের জন্য জীবন বীমাসহ নির্দিষ্ট পরিমাণের অর্থ সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে তৈরি সংগঠনকে দান করলে সেসব অর্থ আয়করের আওতায় আসবে না বলে বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে একটি বিধানে বলা হয়েছে, সরকার অনুমোদিত কোনো ‘জনকল্যাণমূলক’ বা ‘শিক্ষামূলক’ প্রতিষ্ঠানে করদাতার অনুদান হিসাবে দেওয়া অর্থে আয়কর রেয়াত মিলবে। এ প্রজ্ঞাপনে জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই ১১টি প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনায় নিয়ে এখানে করা দানকে করমুক্ত আয় বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।

এনবিআর বলছে, এসব প্রতিষ্ঠানে কোনো করদাতার দান ও অনুদানের অর্থ আগামী ১ জুলাই থেকে ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কর অব্যাহতি দেওয়া হবে।

চলতি অর্থবছরে ৯টি প্রতিষ্ঠানে দান করলে একই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এ নয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছেবাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন, মাস্তুল ফাউন্ডেশন, এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, রোগী কল্যাণ সমিতি, বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থা, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ (পিসিএসবি) এবং আগামী এডুকেশন ফাউন্ডেশন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধটেকসই উন্নয়ন ও জনভোগান্তি কমাতে জোর দেবে সিডিএ
পরবর্তী নিবন্ধআবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে