চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যাত্রীর ইউ–ব্যাগেজ স্ক্যানের সময় অলংকার সদৃশ বস্তু দেখা যায়। পরে ব্যাগেজ খুলে একটি ব্র্যাসলেট, একটি চুরি ও একটি আংটি পাওয়া যায়।
গতকাল রাতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যাত্রীর ইউ–ব্যাগেজ স্ক্যানের সময় অলংকার সদৃশ বস্তু দেখা যায়। পরে ব্যাগেজ খুলে একটি ব্র্যাসলেট, একটি চুরি ও একটি আংটি পাওয়া যায়।
দুবাই থেকে ফেরার পথে কসমেটিকস আনার ঘোষণা দিয়ে বিমানের কার্গোতে ব্যাগেজ পাঠান মো. আবু জাহেদ। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় তার ফ্লাইট। এ সময় তার সঙ্গে আনা হয়নি এমন ব্যাগেজটি (ইউ-ব্যাগেজ) স্ক্যান করে প্রায় সাড়ে ২১ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার পায় কাস্টমস। মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আনা এসব অলংকার আটক করা হয়।
কর্মকর্তারা জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে আসা ওই যাত্রীর ব্যাগেজ স্ক্যানের সময় অলংকারসদৃশ বস্তু দেখা যায়। পরে ব্যাগেজ খুলে একটি ব্র্যাসলেট, একটি চুড়ি ও একটি আংটি পাওয়া যায়। এগুলোর মোট ওজন ১২০ গ্রামের বেশি। আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ৬০ কেজির বাইরে ব্যাগেজ আনার নিয়ম হলো শুল্ক পরিশোধ করে সেগুলো আনতে হয়। তবে দুবাইফেরত এই যাত্রী কাস্টমসকে কসমেটিকস আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। স্ক্যানিংয়ের সময় সোনার অলংকার ধরা পড়ে।












